ঝিনাইদহে মৌখিক পরীক্ষায় টাকা আদায়ের অভিযোগ

আপডেট: 03:40:38 10/08/2020



img
img

তারেক মাহমুদ, (কালীগঞ্জ) ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহ সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসায় মৌখিক পরীক্ষায় অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ, কামিল প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৪০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। অবৈধভাবে এসব টাকা নেওয়ার অভিযোগ করা হচ্ছে মাদরাসার কর্মচারীদের বিরুদ্ধে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সোমবার সকাল থেকে কামিল প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা শুরু থেকেই মাদরাসার একটি কক্ষে অফিসের কর্মচারী জাফর ও শিক্ষক মোমিন প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ৪০০ টাকা নিয়ে টোকেন দিচ্ছেন; যা পরীক্ষার গেটে থাকা নিরাপত্তা প্রহরীকে দেখিয়ে ভেতরে ঢুকতে হচ্ছে। টাকা না দিলে তাদের টোকেন দেওয়া হচ্ছে না বলেন অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী তার সাদা টোকেন দেখিয়ে বলেন, ‘আমি বাড়ি থেকে ২০০ টাকা নিয়ে এসেছিলাম পরীক্ষা দিতে। এখানে এসে শুনছি পরীক্ষা দিতে হলে ৪০০ টাকা দিতে হবে। আমি টাকা দিইনি বলে আমাকে সাদা টোকেন দেওয়া হয়েছে।’
দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। টাকা নেওয়ার ব্যাপারে আমরা জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন, এটা নাস্তা খরচ বাবদ নেওয়া হচ্ছে।’
আর এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, কামিল প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষে শিক্ষার্থী রয়েছেন ২২৩ জন। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে নাস্তা বাবদ ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। তাহলে প্রায় ৯০ হাজার টাকা ‘নাস্তা বাবদ’ আদায় করা হচ্ছে।
এদিকে, খবর পেয়ে কিছু সংবাদকর্মী ওই মাদরাসায় উপস্থিতি হন। টের পেয়ে টাকা ও পরীক্ষা নেওয়া বন্ধ করে দেন শিক্ষকরা।
সংবাদকর্মীদের জিজ্ঞাসায় টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ রুহুল কুদ্দস। তিনি বলেন, মৌখিক পরীক্ষা বাবদ কোনো প্রকার টাকা নেওয়া হচ্ছে না।

আরও পড়ুন