ঝিনাইদহে শিশুর মৃত্যু নিয়ে পাল্টাপাল্টি

আপডেট: 03:14:31 12/10/2021



img

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চুটলিয়া গ্রামে দ্বিতীয় শ্রেণিপড়–য়া এক রানি খাতুন (১০) নামে একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কী কারণে শিশুটি মারা গেল তা নিয়ে তার নানা ও দাদার পরিবার অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ করছে।
শিশুর বাবার বাড়ির লোকজন বলছেন, মারধরের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। আর নানার বাড়ির লোকজন বলছে, জ্বরে ভুগে সে মারা গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালে শহরের কাঞ্চনপুর এলাকার আব্দুর রাকিবের সাথে সদর উপজেলার চুটলিয়া গ্রামের ইলিয়াস কাজীর মেয়ে ঝরনা খাতুনের বিয়ে হয়। ২০১৪ সালে পারিবারিক কলহের কারণে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে ঝরনা তার বাবার বাড়িতে বসবাস করছেন। শিশু রানি বাবা ও নানার বাড়িতে আসা-যাওয়া করত। গত ১০ অক্টোবর বাবার বাড়ি থেকে জ্বর নিয়ে চুটলিয়া গ্রামে তার নানাবাড়িতে যায় রানি। এর একদিন পর সোমবার দিবাগত গভির রাতে তার মৃত্যু হয়।
শিশুটির মা ঝরনা খাতুন বলেন, ‘রাত দশটার দিকে ওর গায়ে জ্বর ছিল। আমি কম্বল গায়ে জড়িয়ে দিয়েছিলাম। রানি টিভি দেখছিল। আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। রাত দুইটার দিকে উঠে দেখি ও বিছানায় নেই। পরে আমার বাবাকে ডেকে বাইরে বের হয়ে দেখি ও বাথরুমের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে।’
নানা ইলিয়াস কাজী বলেন, ‘আমি ওকে ঘাড়ে তোলার পর দুইবার ঝাকি দিলো। তারপর সে মারা গেছে। ওর গায়ে জ্বর ছিল খুব।’
এদিকে, শিশুটির বাবা আব্দুর রাকিব অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মেয়েকে মারধর করেছে। মারধরের কারণেই ও মারা গেছে। জ্বর হলে কেউ মারা যায় নাকি!’
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. সোহেল রানা বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। কী কারণে শিশুটির মৃত্য হয়েছে ময়নাতদন্ত ছাড়া তা বলা সম্ভব না।

আরও পড়ুন