ঝিনাইদহে সরস্বতী প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ততা

আপডেট: 06:08:49 16/01/2020



img

তারেক মাহমুদ, কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) : চলতি মাসের ২৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা। পূজাকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঝিনাইদহে প্রতিমা কারিগররা। চাহিদামতো প্রতিমা নির্ধারিত সময়ে সরবরাহ করতে দম ফেলার ফুরসত নেই তাদের।
জেলার বারোয়ারী, হামদহ কালীমন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দিরে ও বাসা বাড়িতে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। অনেক স্থানে প্রতিমা তৈরির প্রাথমিক কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে শেষ পর্যায়ের দো-মাটির কাজ। এক সপ্তাহ পর থেকেই শুরু হবে রঙের কাজ।
সাধারণত কারিগররা বিভিন্ন মন্দিরে কারখানা করে প্রতিমা তৈরি করে থাকে। পরে এগুলো তৈরি ও বিক্রি করা হয় অর্ডার অনুসারে। পূজা সামনে রেখে পছন্দমতো প্রতিমা কিনতে অগ্রিম অর্ডার সেরে নিচ্ছেন অনেকেই।
সদরের বিষয়খালী কিন্ডারগার্টেনের জন্য প্রতিমা কিনতে আসা শিক্ষক প্রশান্ত মুখার্জি বলেন, ‘স্কুলের জন্য দেড় হাজার টাকা দিয়ে একটা প্রতিমার অর্ডার দিয়ে গেলাম। আগে এসেছি যাতে ভালো জিনিসটা পাই। তবে গেল বছরের তুলনায় দাম একটু বেশি।’
হামদহ কালীমন্দিরে কাজ করা প্রতিমা কারিগর সুজনকুমার পাল বলেন, ‘এবার প্রায় দেড় মাস যাবৎ কাজ করে ১০১টি সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করেছি। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটির অগ্রিম অর্ডার শেষ হয়েছে। প্রতিটি প্রতিমা বিক্রি করা হচ্ছে ছোট-বড় প্রকারভেদে ৬০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা দরে। এতে সব খরচ-খরচা বাদ দিয়ে ২০০ থেকে দুই হাজার টাকা লাভ থাকে।’
অপর কারিগর পলাশকুমার বলেন, ‘এই সময় লাভ কিছুটা বেশি হলেও আমাদের খরচও বেশি। কারণ প্রতিমা তৈরিতে যে বিচালি, সুতালি, পাট, মাটি লাগে; তার দামও এবছর বেড়েছে। ফলে প্রতিমার দামও একটু বেশি নিতে হচ্ছে।’
প্রতিমা কারিগরদের সঙ্গে কাজ করে বাড়তি আয় করতে পারছেন অনেক শ্রমিক। এমন একজন দুর্জয় পাল বলেন, ‘এসময় বাড়তি আয় হয়। প্রতিদিন গড়ে ৬০০ টাকা পারিশ্রমিক পাই।’