থালায় খাবার রেখে পালালেন আমন্ত্রিতরা

আপডেট: 09:18:21 22/03/2020



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : মণিরামপুরে প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে বিয়ের অনুষ্ঠানে ৫০০ লোক জমায়েত করা হয়েছিল। নিমন্ত্রিতরা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ দেখে থালায় খাবার রেখেই পালিয়ে যান। খুঁজে পাওয়া যায়নি বর-কনেসহ তাদের স্বজনদেরও।
চণ্ডিপুর গ্রামের মোশারেফ হোসেনের মেয়ে বেলির বিয়ে উপলক্ষে রোববার দুপুরে ভোজের আয়োজন করা হয়েছিল।
ঝাঁপা গ্রামের বেসরকারি চাকরিজীবী জনৈক আশিকুর রহমানের সঙ্গে কয়েকদিন আগে বিয়ে হয় বেলির। রোববার ছিল কনে বিদায় দেওয়ার আয়োজন। সেখানেই এই বিপত্তি ঘটে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে যেকোনো ধরনের জনসমাবেশ আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যদি তেমন কিছু করতেও হয় তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আগাম অনুমতি নিতে হবে। কিন্তু কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই দাওয়াত দিয়ে ৫০০ লোক সমাগম করেন কনের বাবা। বরপক্ষ ৮-১০টি মাইক্রোবাস নিয়ে অনুষ্ঠানে হাজির হন।
খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েমা হাসান পুলিশ নিয়ে বিকেল তিনটার দিকে ঘটনাস্থলে হাজির হন। আদালত দেখে বর-কনে, অতিথি এবং কনের স্বজনরা পালিয়ে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেঞ্চ সহকারী সার্ভেয়ার আব্দুল মান্নানও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বর পক্ষের অতিথি জনৈক সাহাবুর রহমান বলেন, ‘আমরা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে রওয়ানা হই। পথেই খবর পাই, অনুষ্ঠানে পুলিশ উপস্থিত হয়েছে। তখন বাড়ি ফিরে আসি।’
কনের চাচা স্থানীয় মেম্বার মাহাবুর রহমান বলেন, ‘আগেই বিয়ে হয়ে গিয়েছিল। মেয়ে তুলে দেওয়ার জন্য ছোট করে আয়োজন চলছিল। এলাকার কেউ শত্রুতা করে ম্যাজিস্ট্রেটকে খবর দিয়েছে। আমার সঙ্গে ভাইয়ের রাগারাগি। আমি অনুষ্ঠানে যাইনি।’
এসিল্যান্ড সাইয়েমা হাসান বলেন, ‘নির্দেশনা অমান্য করে চণ্ডিপুর গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠানে ৫০০ লোক সমাগমের খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হই। আমাদের দেখে বর-কনেসহ সবাই পালিয়ে যায়। কাউকে পাওয়া যায়নি।’

আরও পড়ুন