দত্তনগরে বীজ আত্মসাতের তদন্তে দুদক

আপডেট: 07:57:31 30/10/2019



img

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : মহেশপুরের দত্তনগর বীজ উৎপাদন খামারের দুই কোটি টাকার ধান আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের যশোর সমন্বিত জেলার উপ-পরিচালক মো. নাজমুস সাদাতের নেতৃত্বে একজন সহকারী পরিচালক দত্তনগর কৃষি খামারের অধীন গোকুলনগর বীজবর্ধন খামার, করিঞ্চা বীজবর্ধন খামার এবং পাতিলা বীজবর্ধন খামারের তিন উপপরিচালকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত শুরু করেন। দুদক কর্মকর্তা খামারের ধান উৎপাদন ও যশোর প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্রে পাঠানো সংক্রান্ত নথিপত্রের ফটোকপি সংগ্রহ করেন। এছাড়া তিনি বর্তমানে কর্মরত পাঁচটি খামারের উপ-পরিচালক ও বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন।
গোকুলনগর খামারের উপপরিচালক তপনকুমার সাহা, করিঞ্চা খামারের উপপরিচালক ইন্দ্রজিৎচন্দ্র শীল ও পাতিলা খামারের উপপরিচালক আকাতারুজ্জামান তালুকদার যশোরের বীজ প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্রের উপপরিচালক মো. আমিন উদ্দিনের যোগসাজসে ২০১৮-১৯ উৎপাদনবর্ষে দত্তনগর খামারের আওতাধীন গোকুলনগর বীজ উৎপাদন খামারে উৎপাদিত ১১৭ দশমিক ২৬০ মেট্রিক টন ও পাথিলা বীজ উৎপাদন খামারে উৎপাদিত ৬৯ দশমিক ৫০০ মেট্রিক টন, মোট ১৮৬ দশমিক ৭৬০ মেট্রিক টন এসএল-৮ এইচ জাতের হাইব্রিড বীজ যশোর বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে পাঠিয়ে আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠে। অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।