দুর্নীতিতে অভিযুক্ত শিক্ষা অফিসার স্ট্যান্ড রিলিজ

আপডেট: 10:11:16 20/10/2020



img

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আক্তারুজ্জামান মিলনকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক জরুরি বার্তায় বৃহস্পতিবারের মধ্যে তাকে ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলায় যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বহুল সমালোচিত শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ২০১৯-২০ অর্থবছরে শিক্ষা অধিদপ্তরের বরাদ্দ করা টাকা বিদ্যালয়সমূহের অনুকূলে ছাড় করার ক্ষেত্রে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ঘুষ আদায়ের অভিযোগ ওঠে।
এসময় হাবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাইসহ বেশ কয়েকজন প্রধান শিক্ষক সরাসরি শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুখ খোলেন ঘুষ আদায়ের বিষয়ে।
এর আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে স্লিপ খাতের বরাদ্দ থেকে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন সরবরাহের অজুহাতে আলোচিত ওই কর্মকর্তা ১৯১টি বিদ্যালয়ের কাছ থেকে ২৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন বলে অভিযোগ ছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, শ্যামনগর উপজেলার সাবেক ও বর্তমান কয়েক শিক্ষকনেতার সহায়তায় বিদায়ী শিক্ষা কর্মকর্তা গত তিন বছরে কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এক ব্যবসায়ী শিক্ষকনেতার সঙ্গে যোগসাজসে আক্তারুজ্জামান গত তিন বছরে শ্যামনগর উপজেলায় শিক্ষকদের বদলি-বাণিজ্যের সুযোগ নিয়ে আরো প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ।
দুর্গম এলাকায় দুই থেকে তিন শত পর্যন্ত শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত বিদ্যালয়সমূহ থেকে শিক্ষকদের টাকার বিনিময়ে উপজেলা সদরসহ সুবিধাজনক স্থানে বদলির সুযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। এমনকি শ্যামনগর শিশু শিক্ষা নিকেতনসহ আরো কয়েকটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর আনুপাতিক হার ১:৩০ হওয়া সত্ত্বেও সেখানে নতুন নতুন শিক্ষককে যোগ দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। অথচ প্রত্যন্ত এলাকার অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই অনুপাত ১:১০০ পর্যন্ত।
এই সব বিষয়ে কথা বলার জন্য একাধিকবার তার নাম্বারে ফোন করা হলেও আক্তারুজ্জামান রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন