নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ মাটি খুঁড়ে উদ্ধার

আপডেট: 01:25:05 10/11/2019



img

স্টাফ রিপোর্টার : প্রায় একমাস আগে নিখোঁজ পল্লব (২০) নামে এক কলেজছাত্রে রমরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার সন্ধ্যায় যশোর সদর উপজেলার জঙ্গলবাঁধাল গ্রামের একটি ঘরের মাটি খুঁড়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পল্লবের দুইবন্ধুকে আটক এবং জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পল্লব সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের বিকাশের ছেলে।
কোতয়ালী থানার পরিদর্শক শেখ তাসমীম আলম জানান, গত ১৪ অক্টোবর নিখোঁজ হয় পল্লব। এ ঘটনায় থানায় একটি জিডি করা হয়েছিল। জিডির বিষয়টি তদন্ত করে পুলিশ। শনিবার সকালের দিকে পল্লবের দুইবন্ধু জঙ্গলবাঁধাল গ্রামের জামালউদ্দিনের ছেলে অপূর্ব এবং জগন্নাথপুর গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে ঈশানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সঞ্জিবকুমার মণ্ডল।
জিজ্ঞাসাবাদে অপূর্ব স্বীকার করে, পল্লবকে হত্যা করে তার নানা আজিজার রহমান মাস্টারের জঙ্গলবাঁধাল গ্রামের বাড়ির দক্ষিণপাশের একটি কাঁচাঘরের মধ্যে গর্ত খুঁড়ে সেখানেই পুঁতে রাখা হয়।
এঘটনায় জড়িত অভিযোগে অপূর্বও ঈশানকে আটক করা হয়েছে।  এই হত্যা সম্পর্কে তাদের আরো জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আর জিডির ঘটনাটি হত্যামামলা হিসাবে রেকর্ড করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিদর্শক তাসমীম আলম।
এদিকে, পল্লব হত্যা সম্পর্কে স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, গত ১৩অক্টোবর সন্ধ্যার দিকে পল্লব একটি মেয়েকে সাথে নিয়ে তার বন্ধু অপূর্বের বাড়িতে যায়। অপূর্ব তার নানাবাড়িতে থাকে।
নানা-নানির অনুপস্থিতিতে সে রাতে তারা ওখানে অবস্থান করে। রাতে তাদের দুজনের শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও মোবাইলফোনে ধারণ করে অপূর্ব ও ঈশান। এরপর ভিডিও দেখিয়ে ব্লাকমেইল করার চেষ্টা করলে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে অপূর্বের ছুরিকাঘাতে সে মারা গেলে তাকে পুঁতে ফেলা হয়। নিহত পল্লব ও তার বন্ধুরা সবাই যশোর সরকারি সিটি কলেজের ছাত্র।
তবে, পুলিশ পরিদর্শক তাসমীম আলম বলেন, কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তশেষে বিষয়টি জানা যাবে।

আরও পড়ুন