নড়াইলে সামাজিক বনায়নের হিস্যা দাবি

আপডেট: 03:06:46 11/09/2020



img

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলে সামাজিক বনায়নে উপকারভোগীদের অধিকার খর্ব করার প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়েছে।
শুক্রবার সকালে শহরের ঘোড়াখালী এলাকায় নড়াইল-মাগুরা সড়কে এ মানববন্ধন হয়।
ঘোড়াখালী ও রঘুনাথপুর বনায়ন সমিতির আয়োজনে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন ঘোড়াখালী ও রঘুনাথপুর বনায়ন সমিতির সভাপতি মো. সাহেব আলী বেগ, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সাইফুল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ ঈমাম হাসান, ভুক্তভোগী ইউসুফ মোল্যা, মো. ইসলাম শেখ, আরজান বেগ, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
সমিতির সভাপতি সাহেব আলী বেগ ও সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুল হাসান সাইফুল্লাহ বলেন, নড়াইল পৌরসভার ঘোড়াখালী সড়কে সমিতির মাধ্যমে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে বনবিভাগের সহযোগিতায় দ্বিতীয় দফায় দুই কিলোমিটারের অধিক সড়কে দুই হাজারের বেশি গাছ লাগানো হয়। মাসে তিন হাজার টাকা করে পাহারাদারকে দিয়ে গাছগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে। জেলা পরিষদ কোনোদিন খোঁজও নেয়নি। অথচ ১২ বছর পর গাছগুলো নিজেদের দাবি করে অবৈধভাবে বিক্রির চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
সভাপতি বলেন, ‘এই সড়কে প্রথম দফায় আমরা সমিতির মাধ্যমে গাছ লাগিয়ে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করি। প্রথম দফায় বিক্রি করা গাছের লভ্যাংশ অনুযায়ী সুবিধাভোগী, বনবিভাগ, জেলা পরিষদ ও নড়াইল পৌরসভাকে অংশ মোতাবেক ভাগ করে দেওয়া হয়। কিন্তু এবার সবাইকে বঞ্চিত করে জেলা পরিষদ গাছ বিক্রির তৎপরতা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে গাছে মার্কিং করে গেছে। এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। যদি আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে জেলা পরিষদ গাছ কাটতে আসে, তাহলে আমরা উপকারভোগীরা এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে রুখে দাড়াবো।’
পরে যোগাযোগ করা হলে নড়াইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ্বাস বলেন, ‘জেলা পরিষদের সাথে ঘোড়াখালী ও রঘুনাথপুর বনায়ন সমিতির কোনো চুক্তি নেই। নিয়মানুযায়ী গাছ বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে। তবে আইনগতভাবে যদি ওই সমিতি টাকা পায় তাহলে অবশ্যই তাদের টাকা দেওয়া হবে। এক্ষেক্ষে আমার আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই।’
‘তবে আইনি জটিলতার কারণে তারা সুবিধা পাচ্ছে না। আমি যদি বেআইনিভাবে তাদের সমিতিকে আর্থিক সুবিধা দেই, তাহলে আমাকে মামলায় পড়তে হবে,’ যোগ করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।

আরও পড়ুন