বনবিভাগের নৌযানচালকের মৃতদেহ উদ্ধার

আপডেট: 01:48:41 14/01/2020



img

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : সোমবার রাত ১১টার দিকে সুন্দরবন-সংলগ্ন মাদার নদী থেকে নবাব আলী গাজী (৬৫) নামে বনবিভাগের কৈখালী স্টেশন অফিসের নৌযানচালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশ উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ভেটখালী এলাকার কোস্টগার্ড অফিসের সামনের পন্টুনের কাছ থেকে বনরক্ষীর পোশাক পরিধেয় মৃত নবাব আলীকে উদ্ধার করে।
এর আগে রাত সাড়ে আটটার দিকে কোস্টগার্ড সদস্যরা মাদার নদীতে তাদের স্থাপিত পন্টুনে মৃতদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদকে সংবাদ দেন।
উদ্ধার হওয়া নবাব আলী পূর্ব কৈখালী গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কৈখালী স্টেশনে নৌযান চালকের কাজ করছিলেন। তিনি পাঁচ সন্তানের জনক ছিলেন। দুই স্ত্রী থাকলেও তাদের মধ্যে কোনো ঝগড়া-বিবাদের খবর পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।
নিহতের ছেলে কাছিকাটা টহল ফাঁড়ির নৌযান চালক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রোববার রাত আটটার দিকে তার সঙ্গে ফোনে বাবার কথা হয়। পরে রাত নয়টার দিকে তিনি স্টেশন অফিস থেকে বাড়িতে ফিরে শুয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে রাত দশটার দিকে তার (নবাব আলী) ফোনে কল দিয়ে কেউ তাকে ডাকে। ওই সময় বাড়ির পাশে স্টেশনে যাওয়ার কথা বলে নবাব আলী বেরিয়ে যান।
রফিকুল ইসলাম আরো জানান, মা খোদেজা বিবিকে অফিসে যাওয়ার কথা বলে বেরিয়ে যাওয়ায় বনের মধ্যে টহলে যাওয়ার কথা ভেবে সারাদিন তারা নবাব আলীর খোঁজ নেননি। কিন্তু বেলা দুইটার দিকে কৈখালী স্টেশন থেকে ডাকতে আসার পর তারা নবাব আলীকে খুঁজতে থাকেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ লাল্টু জানান, রাত সাড়ে আটটার দিকে কোস্টগার্ডের সিসি ফোন দিয়ে ডাকার পর তিনি কয়েকজনকে নিয়ে পন্টুনে বিঁধে থাকা অবস্থায় উপুড় হয়ে ডুবে থাকা মৃতদেহ নবাব আলীর বলে নিশ্চিত হয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশকে অবহিত করেন।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজমুল হুদা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তবে কৈখালী স্টেশন অফিসার কামরুল ইসলাম স্টেশনে না থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন