বিধিনিষেধের ঈদ

আপডেট: 02:33:57 01/08/2020



img
img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে আজ বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে কুরবানির ঈদ। তবে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে ঈদ উদযাপন ও ধর্মীয় রীতি পালনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্দেশনা থাকায় এবারের ঈদ অন্যান্য যে কোনো সময়ের তুলনায় ভিন্নভাবে পালিত হচ্ছে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে খোলা ময়দানে দেশের কোথাও ঈদের নামাজ আদায় না করার নির্দেশনা ছিল ধর্ম মন্ত্রণালয়ের। তাই এবারের ঈদে বাংলাদেশের কোথাও খোলা ময়দানে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়নি।
মসজিদের ভেতরে ঈদের নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রেও মেনে চলতে হয়েছে কিছু বিধিনিষেধ।
করোনাভাইরাস মহামারি শুরু হওয়ার পর বাংলাদেশে মসজিদে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে যেসব নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছিল- বাসা থেকে ওজু করে আসা, এক সারি পরপর নামাজে দাঁড়ানো, মসজিদের প্রবেশপথে স্যানিটাইজার বা সাবান পানি রাখা- সেসব নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছিল ঈদের নামাজের ক্ষেত্রেও।
এছাড়া প্রথা অনুযায়ী মানুষ যেন নামাজ শেষে কোলাকুলি করা এবং হাত মেলানো পরিহার করে, সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।
তবে অন্যান্য সময় কুরবানির ঈদের দিন শহর-নগরের রাস্তায় যত পশু জবাই হতে দেখা যায়, এবছর সেই সংখ্যাটা ছিল অনেক কম।
প্রতিবছর বাসার সামনে রাস্তায় পশু জবাই দেওয়া অনেকেই করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার নির্ধারিত স্থানে বা বাসার ভেতরে কুরবানি দিয়েছেন।
তবে রাস্তাঘাটে পশু জবাইয়ের হার তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও অনেক জায়গাতেই মানুষকে স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে পশু জবাই করতে দেখা গেছে।
বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতেও নানা বিধিনিষেধের মধ্যে দিয়ে আজ পালিত হচ্ছে কুরবানির ঈদ।
করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এবছর হজে অংশ নেওয়া মানুষের সংখ্যা সীমিত করে দেওয়া হয়েছে কয়েক হাজারে। শুরুতে সৌদি কর্তৃপক্ষ বলেছিল, মাত্র এক হাজার মানুষকে হজ করতে দেওয়া হবে। এখন অবশ্য সৌদি গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, দশ হাজার মানুষ হজ করার সুযোগ পেয়েছেন।
সূত্র : বিবিসি

আরও পড়ুন