বৃহস্পতিবার যশোরে যাদের করোনা শনাক্ত হলো

আপডেট: 01:19:59 03/07/2020



img

স্টাফ রিপোর্টার : বৃহস্পতিবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় যাদের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে, তাদের মধ্যে নানা বয়স ও শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ রয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, এদিন শনাক্তদের মধ্যে রয়েছেন মাগুরা জেলেপাড়ার ৩০ বছর বয়সী এক যুবক, যিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। রয়েছেন সমাজসেবা অফিসের এক অফিস সহকারী (৫৭), যার বর্তমান অবস্থান ঢাকা।
শার্শায় আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন ৩৫ ও ৩৩ বছরের দুই গৃহবধূ, এদের একজনের ১৪ বছরের এক ছেলে।
চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক স্বাস্থ্য সহকারী (৫৫) ছাড়াও এদিন শনাক্ত হন, যশোর শহরের ঘোপ জেল রোড এলাকার ৪০ বছরের এক গৃহিণী, মণিরামপুরের পল্লী বিদ্যুতের এক কর্মচারী (৪২), যশোর সদরের আড়পাড়া গ্রামের ২৫ বছরের এক ছাত্র, র্যা ব-৬ যশোর ক্যাম্পের একজন এএসআই (৩৩), সদর উপজেলার নারাঙ্গালি গ্রামের ৫৬ বছর বয়সী এক কৃষক, শহরের পোস্ট অফিসপাড়ার বাসিন্দা ও বিআরডিবির এক নারী চাকরিজীবী (৫৩)।
তালিকায় নাম রয়েছে সদর উপজেলার বানিয়ালী গ্রামের ৬০ বছরের এক কৃষক, ব্র্যাক ব্যাংক যশোর শাখার এক কর্মী (৪১), যিনি শহরের মাইকপট্টি এলাকার বাসিন্দা, একই ব্যাংকের আরেক কর্মী (৩৪), যিনি পূর্ব বারান্দিপাড়ায় বসবাস করেন, বেজপাড়া এলাকার ৩১ বছরের এক ব্যবসায়ী, সোনালী ব্যাংকের এক চাকুরে (৩৩), যিনি থাকেন ঝুমঝুমপুর এলাকায়, সদর উপজেলার সুজলপুরের ৬০ বছরের এক কৃষক।
আক্রান্ত হয়েছেন কেশবপুরের এক মাদরাসাশিক্ষক (৫৫), বাঘারপাড়া পৌরএলাকার বাসিন্দা ও সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এক ল্যান্স কর্পোরাল, কেশবপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ও ব্যবসায়ী মো. জামালউদ্দিন (৪০), যমুনা গ্রুপে খুলনায় চাকরিরত ৪৫ বছরের এক ব্যক্তি, যিনি কেশবপুরের সাবদিয়া এলাকায় বসবাস করেন।
তালিকায় নাম রয়েছে অভয়নগরের মহাকাল এলাকার এক ষোড়শী ছাত্রী, অভয়নগর থানার এক কনস্টেবল (২৯), গুয়াখোলা এলাকার ১৬ ও ২৩ বছরের দুই ছাত্রী, একই এলাকার ২৮ বছরের এক কৃষক, যশোর র্যা ব-৬ ক্যাম্পের ইনসপেক্টর ওহিদুল ইসলাম (৫৫), ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের এক চাকরিজীবী (৫১), যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ২২ বছরের এক রক্ষী, ওষুধ কোম্পানির এক প্রতিনিধি, যিনি বেজপাড়া সাদেক দারোগার মোড়ে বসবাস করেন।
রয়েছেন র্যা ব-৬ যশোর ক্যাম্পের ৩৪ বছর বয়সী এক কনস্টেবল, পুলিশ লাইন এলাকার এক ট্রাফিক কনস্টেবল (৫০), জেনারেল হাসপাতালের এক নার্স (৩৩), যিনি বেজপাড়ায় বসবাস করেন, ইসলামী ব্যাংক ঝিকরগাছা শাখার এক কর্মী (৩৪), যার বাসাও যশোর শহরের বেজপাড়ায়। শহরের চাঁচড়া রায়পাড়া এলাকার ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী, পুরাতন কসবা টালিখোলা এলাকার বাসিন্দা এক ট্রাফিক কনস্টেবল (৪০), সদর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের ৩০ বছরের এক ব্যবসায়ী, মণিরামপুরের খেদাপাড়া ক্যাম্পের এক পুলিশ কনস্টেবল (৫৫), যিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন, পুরাতন কসবা কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও আদ-দ্বীন সকিনা মেডিকেল কলেজের ডাক্তার সালাহউদ্দিন খান (৬৬), একই এলাকার ৫৪ বছরের এক গৃহিণী, ২২ বছরের এক ছাত্রী, ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের বাসিন্দা ও যশোর জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তার আবুল বাশার (৪৬), মণিরামপুরের ৪৫ ও ৬৫ বছর বয়সী দুই কৃষক, একই উপজেলার ২৯ বছর বয়সী এক যুবকও আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন।
করোনাভাইরাস বহন করছেন চৌগাছার ৩০ বছর বয়সী এক যুবক, ৫০ ও ৫৫ বছরের দুই কৃষক, ২৭ বছরের এক ছাত্র। মণিরামপুরের ৪২ বছরের এক গৃহিণী, ৫৯ বছরের এক ব্যবসায়ী, শার্শার ২৫ বছরের এক ছাত্র, কেশবপুরের ৩২ ও অভয়নগরের ৫৪ বছরের দুই ব্যবসায়ী, শার্শার ৬০ বছরের এক কৃষক, ৩৮ বছরের এক ব্যবসায়ী, সদর উপজেলার ২৮ বছরের এক ব্যবসায়ী, ৩৪ বছরের এক কৃষক।
করোনায় আক্রান্ত বলে শনাক্ত এসব ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

আরও পড়ুন