বেনাপোলে আমদানি বন্ধ তিন দিন

আপডেট: 01:19:09 04/11/2019



img
img

স্টাফ রিপোর্টার : টানা তিন দিন আমদানি বন্ধ রয়েছ বেনাপোল বন্দরে। ওপারে পেট্রাপোল বন্দরের প্রিন্টার বিকল হয়ে যাওয়ায় দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।
তবে বেনাপোল বন্দরের অভ্যন্তরীণ কাজ চলছে। চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপারও হচ্ছে।
বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক মামুন কবীর তরফদার বলছেন, শনিবার সকাল থেকে এখন পর্যন্ত এ পথে আমদানি বন্ধ রয়েছে। তবে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি পণ্যের চালান পেট্রাপোলে গ্রহণ করা হচ্ছে।
ভারতের পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী  বলেন, পেট্রাপোল বন্দরে আগে হাতেকলমে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা করা হতো। এখন বন্দরে 'অটোমেশন' প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় ওই কাজ অনলাইনে করা হয়।পেট্রাপোল বন্দরে কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত প্রিন্টার কাজ না করায় কাগজপত্রের জটিলতায় পণ্য খালাস ও বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি সংক্রান্ত সব কাজ বন্ধ রয়েছে।
এদিকে, আমদানি বন্ধ থাকায় বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় পণ্যবোঝাই কয়েকশ' ট্রাক পেট্রাপোলে আটকা পড়েছে।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক বলেন, “এসব পণ্যের মধ্যে শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত কাঁচামাল, খাদ্যদ্রব্য ও পচনশীল পণ্যও রয়েছে। দ্রুত বাণিজ্য সচল না হলে ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়বেন।”
তিনি বলেন, “পেট্রাপোল বন্দরে টেকনিশিয়ান কাজ শুরু করেছে বলে জানতে পেরেছি। মেরামত শেষ হলে এ বন্দরে আবার আমদানি-রপ্তানি শুরু হবে।”
বেনাপোল চেকপোস্ট কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা রাশেদুল হক বলেন, রোববার থেকে সোমবার সকাল দশটা পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৮২টি ট্রাক পণ্য নিয়ে ভারেতে গেছে। কিন্তু প্রিন্টার বিকল থাকায় পেট্রাপোল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে পারেনি। এ কারণে ট্রাকগুলো ফিরতে পারছে না।
আমদানি বন্ধের কোনো প্রভাব যাত্রী পারাপারে পড়েনি। চালু রয়েছে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, বলছেন বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ওসি মহাসিন খান।