ব্যাংকে লুট, সন্দেহভাজন তিন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ

আপডেট: 06:20:16 16/11/2020



img

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : জীবননগরে সোনালী ব্যাংকের উথলী শাখায় লুটের ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, সদর উপজেলার আকুন্দবাড়ীয়া গ্রামের রহমানের ছেলে জনি (২৫), দেলবারের ছেলে কালু (২৮) এবং হাসমত আলীর ছেলে হৃদয় (২৮)। সোমবার ভোরে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, সোনালী ব্যাংক উথলী শাখায় লুট হওয়ার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশি ঝামেলা এড়াতে ওই ব্যাংকের গ্রাহকরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করে বলেছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের উথলী শাখায় কোনো সিসি টিভি ক্যামেরা নেই। এছাড়া ব্যাংকে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা দুইজন নিরাপত্তা প্রহরীর হাতে একটা লাঠি পর্যন্ত ছিল  না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে উথলী বাজারের এক দোকানদার বলেন, ব্যাংক চলাকালে অধিকাংশ সময় নিরাপত্তা প্রহরীরা চায়ের দোকানে আড্ডা দেন। আগে থেকেই ব্যাংকে নিরাপত্তার চরম ঘাটতি রয়েছে।
উথলী বাজারপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল মান্নান পিল্টু বলেন, ‘যেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানে দিনের বেলায় ডাকাতি লুট হতে পারে, সেখানে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?’
এদিকে লুটের ঘটনার পর খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (ক্রাইম) একেএম নাহিদুল ইসলাম রোববার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ঘটনাস্থল সোনালী ব্যাংক উথলী শাখা পরিদর্শনে আসেন।
ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘ব্যাংক চালানোর জন্য এ ভবন মোটেও উপযুক্ত নয়। এ ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা ধারণা করছি, এ জেলার মধ্যেই অপরাধীরা অবস্থান করছে। অল্প সময়ের মধ্যেই অপরাধীদের আটক করা সম্ভব হবে।’
তিনি আরো বলেন, ব্যাংক কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতি রয়েছে। ব্যাংকে কোনো সিসি টিভি ক্যামেরাও নেই। বর্তমান যুগে এটা ভাবা যায় না।
লুটের ঘটনার ক্লু উদ্ঘাটনে সোমবার (১৬ নভেম্বর) সকাল থেকে সাদা পোশাকে র‌্যাব, সিআইডি, পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার গোয়েন্দা কর্মীদের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন