মণিরামপুরে ইউপি সচিব ফরিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট: 04:08:09 07/09/2020



img

আনোয়ার হোসেন, মণিরামপুর (যশোর) : মণিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউপি সচিব ফরিদ হোসেনের বিরুদ্ধে যথাসময় অফিসে হাজির না হওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ করা হচ্ছে, তিনি ১১টার আগে পরিষদে আসেন না। সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ, জন্মনিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্সের নামে হয়রানিসহ বাড়তি অর্থ আদায়ের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। সরেজমিনে এসব অভিযোগের সত্যতাও মিলেছে।
সোমবার সকাল দশটায় খানপুর ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সচিবের কক্ষে তালা ঝুলতে দেখা যায়। গণমাধ্যমকর্মীদের দেখার পর তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন স্থানীয়রা।
এসময় কথা হয় পরিষদের গ্রামপুলিশদের সঙ্গে। তারা জানান, সচিব বেলা ১১টার দিকে অফিসে আসেন। আর স্থানীয়রা বলছেন, কোনো কোনো দিন সচিবের আসতে দুপুর ১২টা বাজে।
সোমবার সকাল দশটায় খানপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আসেন শেখপাড়া গ্রামের মাসুদ রানা। তিনি বলেন, ‘নিজের জন্মনিবন্ধনের জন্য এসেছি। দেখছি, সচিবের কক্ষে তালা মারা।’
এসব অভিযোগে আগেও একাধিকবার পত্রিকার শিরোনাম হয়েছেন এই সচিব ফরিদ হোসেন।
স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা ওলিয়ার রহমান বলেন, সচিব কোনোদিন ১১ বা ১২টার আগে আসেন না। তিনি সেবাগ্রহীতাদের সাথে খারাপ আচরণ করেন। কেউ জন্মনিবন্ধনের জন্য এলে প্রথমে তাকে ফিরিয়ে দেন। পরে ৫০০-৭০০ টাকায় চুক্তি করে নিবন্ধন দেন। আর ট্রেড লাইসেন্স করতে টাকা নেন বেশি, কিন্তু রশিদে উল্লেখ করেন কম।
দেরিতে পরিষদে আসার অভিযোগ স্বীকার করেন সচিব ফরিদ হোসেন।
তিনি বলেন, ‘যশোর থেকে আসি। তাছাড়া অনেকসময় উপজেলায় কাজ থাকে, তাই দেরি হয়ে যায়। তবে জন্মনিবন্ধন বা ট্রেড লাইসেন্সে বেশি টাকা নিই না।’
খানপুর ইউপি চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ বলেন, ‘আমার কাছে এসব ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করে না। আর দেরিতে অফিসে আসার বিষয়টি কড়াভাবে দেখা হবে।’
মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান সচিবের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখবেন বলে জানান।

আরও পড়ুন