মণিরামপুরে তিন ক্লিনিক বন্ধ ঘোষণা

আপডেট: 11:38:13 27/07/2020



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : সরকারি অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় লোকবল না থাকায় যশোরের মণিরামপুরে তিনটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছেন যশোর সিভিল সার্জন অফিস।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে যশোরের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মীর আবু মাউদ এই অভিযান চালান।
এসময় মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শুভ্রারানী দেবনাথ, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. রেহেনেওয়াজ এবং মণিরামপুর হাসপাতালের আরএমও ডা. অনুপকুমার বসু উপস্থিত ছিলেন।
বন্ধ প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো, মণিরামপুর হাসপাতাল গেট-সংলগ্ন মুন হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মোহনপুর বটতলা মোড়-সংলগ্ন প্রগতি ডিজিটাল ডি ল্যাব ও রিজু হসপিটাল এবং নিউ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
বন্ধ হওয়া মুন হসপিটালের মালিক অবসরপ্রাপ্ত সেকমো আব্দুল হাই মণিরামপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় গেটে মনোয়ারা ক্লিনিক নামে একটি হাসপাতাল চালান। গত বছর অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু হওয়ার ঘটনায় তিনি গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছেন। ওই সময় মনোয়ারা ক্লিনিক সিলগালা করে দেয় প্রশাসন। পরবর্তীতে মণিরামপুর হাসপাতাল গেটে মুন হসপিটাল খোলেন তিনি।
মণিরামপুর হাসপাতালের আরএমও ডা. অনুপকুমার বসু বলেন, বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিক চালাতে গেলে সর্বক্ষণিক একজন মেডিকেল অফিসার থাকতে হয়। এছাড়া অপারেশন চলা ক্লিনিকগুলোতে একজন করে অজ্ঞান করা ডাক্তার (অ্যানেসথেসিস্ট) লাগে। যা মুন হসপিটাল ও প্রগতি সার্জিকাল ক্লিনিকে নেই। হাসপাতাল দুটির অনলাইন আবেদনের কাগজপত্রও নেই। আর নিউলাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোনো অনুমোদন নেই।
মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. শুভ্রারানী বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও লোকবল না থাকায় মুন হসপিটাল, প্রগতি সার্জিক্যাল ক্লিনিক এবং নিউলাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মুন হসপিটাল ও প্রগতি ক্লিনিকে অপারেশনের রোগী ভর্তি ছিল। তাদের মণিরামপুর হাসপাতালে স্থানান্তরিত হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন