মণিরামপুরে মারপিটের ঘটনায় প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার

আপডেট: 10:52:51 30/06/2020



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : মণিরামপুরে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় নারীসহ তিনজনকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার শহিদুল একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক।
মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার ভোজগাতি এলাকা থেকে থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। তিনি সেখানে আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন।
মণিরামপুর থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান প্রধান শিক্ষকের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শহিদুল ইসলাম উপজেলার পলাশী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি একই উপজেলার এড়েন্দা গ্রামের মৃত নাসির উদ্দিনের ছেলে।
হামলার শিকার তিনজন হলেন, এড়েন্দা গ্রামের মৃত নারায়ণ দাসের স্ত্রী অমেলা দাস, তার দুই ছেলে সোহাগ দাস ও মিলন দাস।
মামলার আসামিরা হলেন, এড়েন্দা গ্রামের সুজন, জাকির হোসেন, জিন্নাত, সাগর, মাহফুজ, নজরুল, প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, আনার আলী ও স্কুলশিক্ষক শরিফুল ইসলাম।
ইতিমধ্যে পুলিশ শহিদুল ইসলামসহ সুজন, জিন্নাত, আনার আলী ও শরিফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
মামলার বাদী মিলন দাস বলেন, ‘সুজন দলবল নিয়ে এসে আমার কলাবাগানে মাদক (গাঁজা) সেবন করতো। দুইমাস আগে আমি সুজনদের বাড়ি গিয়ে বিষয়টি তার বাবা কছিম উদ্দিনের কাছে অভিযোগ করি। তখন বাড়িতে ফেলে সুজন আমাকে মারপিট করে। বিষয়টি ওই সময় মিটে যায়। কিন্তু সুজনের রাগ থেকে যায় আমার ওপর। গত ২১ জুন সন্ধ্যায় আমাকে মাঠে একা পেয়ে সুজন মারপিট করতে চায়। তখন মাঠের লোকজন বাধা দেন। কিন্তু পরের দিন (২২ জুন) সন্ধ্যায় তারা সংঘবদ্ধ হয়ে বাড়িতে এসে আমাকে মারপিট করে আহত করে। ওই সময় ঠেকাতে এসে আমার মা অমেলা দাস ও ভাই সোহাগ দাস তাদের হামলায় গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ২৩ জুন রাতে আমি থানায় মামলা করি।’
মণিরামপুর থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান বলেন, এড়েন্দা গ্রামে বিধবা ও তার দুই ছেলেকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় এই পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন