মরদেহ ১২ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্সে, দুপুরে শামিমকে দাফন

আপডেট: 12:52:02 28/06/2020



img
img

স্টাফ রিপোর্টার : সন্দেহভাজন করোনা রোগী যশোরের ওষুধ ব্যবসায়ী শামিমুর রহমানকে আজ শনিবার দুপুরে শহরের কারবালা গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার দিনগত মধ্যরাত থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত তার মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সেই রাখা হয়।
যশোর পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুস্তাফিজুর রহমান মুস্তা সুবর্ণভূমিকে জানান, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীরা শামিমকে দাফন করেছেন। এর আগে শহরের কোনো কবরস্থান কর্তৃপক্ষ মরদেহ গোসল করানোর অনুমতি দিচ্ছিল না। পরে কারবালা কবরস্থান কর্তৃপক্ষ রাজি হয়। সেখানে নির্মীয়মান মসজিদের ছাদের নিচে বেলা ১২টার দিকে গোসল শেষে বাদজোহর নামাজে জানাজা ও দাফন হয়।
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন যশোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান-ই-আলম মানিক সুবর্ণভূমিকে জানান, তাদের প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবীরা দরকারি নিরাপত্তাসহযোগে মৃতদেহ দাফন করেছেন।
যশোর শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়া এলাকার পরিচিত মুখ শামিমুর রহমান (৩৮) শুক্রবার রাত দশটার দিকে খুলনার গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। ওই দিন সকালেই যশোর জেনারেল হাসপাতালে তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল করোনা পরীক্ষা করার জন্য। সন্ধ্যায় অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে খুলনা রেফার করা হয়েছিল। সেখানে কোনো সরকারি হাসপাতালে তার চিকিৎসা মেলেনি। আবার পরীক্ষার রিপোর্ট না আসায় আসলেই তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন কি-না, জানা যায়নি তাও।
সন্দেহভাজন করোনা রোগী হওয়ায় চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের এই ওষুধ ব্যবসায়ীর মরদেহ কোথায় রাখা হবে, কারা দাফন করবে, তা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়। জেনারেল হাসপাতালের মর্গে মরদেহ রাখার বিষয়টিও রাতে নিশ্চিত করা যায়নি। অবশেষে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি সারারাত রাখা হয় জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশে।

আরও পড়ুন