মহেশপুরে বর্জন, কালীগঞ্জে এজেন্ট বিতাড়নের অভিযোগ

আপডেট: 04:51:34 28/02/2021



img

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ভোট বর্জন, কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া ও প্রসাশনের সহযোগিতায় জোর করে ভোট নেওয়াসহ নানা অভিযোগের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো ঝিনাইদহের মহেশপুর ও কালীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন।
পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত এ পৌরসভা দুটির ভোট গ্রহণ করা হয় ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে। সকাল থেকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল।
সকাল দশটার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভার কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বেদে সম্প্রদায়ের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সেসময় ইসলাম নামে এক যুবক আহত হন। সংবাদ পেয়ে পুলিশ বিজিবি ও র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এদিকে, কালীগঞ্জ পৌরসভার ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আলহাজ মাহবুবার রহমান অভিযোগ করেন, তার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। সমর্থকদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে কালীগঞ্জে ২১০ জন পুলিশ, ১৯৮ জন আনসার ও তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়। এখানে মোট ভোটার রয়েছে ৪০ হাজার ৫৭৭ জন। নয়টি ওয়ার্ড ও ২১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয়। এখানে মেয়র পদে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অন্যদিকে জেলার মহেশপুর পৌরসভায় কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া ও প্রশাসনের সহযোগিতায় জোর করে ভোট নেওয়াসহ নানা অভিযোগে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান চুন্নু। মহেশপুর পৌর এলাকার কিছু কেন্দ্রে ধানের শীষের ভোটারদের আঙুলের ছাপ নেওয়ার পর জোর করে ভোট দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
দেশের অন্যতম প্রাচীন এ পৌরসভায় চারজন মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। এই পৌরসভায় মোট ভোটার ২৪ হাজার ৪৫৩ জন। নয়টি ওয়ার্ড ও ১১টি কেন্দ্র।
এদিকে, সকালে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধির মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণ করার অভিযোগ ওঠে মহেশপুর ৫৮ বিজিরি সিও কামরুল আহসানের বিরুদ্ধে। তবে এই বিষয়ে বিজিবি সিও’র বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন