মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ডাক্তার গ্রেফতার

আপডেট: 01:17:59 24/05/2020



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : মণিরামপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় কেশবপুর এলাকার হারুন অর রশিদ নামে এক পল্লী চিকিৎসককে ধরে পুলিশে দিয়েছেন ওই ছাত্রীর স্বজনরা।
এদিকে শনিবার দুপুরে ওই ছাত্রী মণিরামপুর থানায় হারুনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। পরে পুলিশ হারুনকে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠায়।
মণিরামপুর থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
হারুন অর রশিদ কেশবপুরের খতিয়াখালী গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় পল্লী চিকিৎসক। আর অভিযোগকারিণী মণিরামপুরের একটি কওমি মাদরাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সৈয়দ আজাদ এজাহারের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, কয়েক মাস আগে মণিরামপুরের শ্যামকুড় ইউনিয়নের একটি গ্রামে ওই ছাত্রীকে বিয়ের জন্য দেখতে এসেছিলেন হারুন। তখন হারুন মেয়েটিকে পছন্দ করলেও তার বাবা-মায়ের অমত ছিল। ফলে বিয়ে হয়নি। কিন্তু হারুন মেয়েটির সঙ্গে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি মেয়েটির সঙ্গে একাধিকবার শারীরিকভাবে মিলিত হন। কিন্তু ৭-৮ দিন আগে হারুন এই মেয়েকে বাদ দিয়ে আরেক মেয়েকে বিয়ে করেন। বিষয়টি জানতে পেরে গত বৃহস্পতিবার কেশবপুরের খতিয়াখালী গ্রামে হারুনের এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে ওঠে প্রতারিত মেয়েটি। হারুন খবর পেয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে শুক্রবার ভোররাতে ওই ছাত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তার (ছাত্রীর) বাবার বাড়িতে আসেন। তখন ওই ছাত্রীর স্বজনরা তাকে আটকে মণিরামপুর থানায় খবর দেন। শনিবার দুপুরে পুলিশ হারুনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
মণিরামপুর থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান বলেন, হারুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। পুলিশ হারুনকে আদালতে হাজির করে। আদালত হারুনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন