মায়ের নিথর দেহের পাশে শিশুর কান্না

আপডেট: 01:49:28 07/12/2019



img

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের কালিয়ার পুরুলিয়া ইউনিয়নের পারবিষ্ণুপুরে তামান্না বেগম (২০) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
তামান্নার বাবা পেড়োলী ইউনিয়নের খড়রিয়া গ্রামের আকতার মোল্যা বলেন, ‘‘রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ফোনে জামাইবাড়ির এলাকা থেকে জানানো হয়, ‘আপনার মেয়েকে মেরে রেখে পালিয়েছে পরিবারের সবাই।’ তখন আমরা জামাইবাড়ি যেয়ে দেখি মেয়ে আমার মাটিতে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। পাশে দেড় বছরের মেয়ে তাসলিমা কাঁদছে। পরে আমরা কালিয়া থানায় বিষয়টি জানাই।’’
‘‘গতকাল বিকেলে আমাদের মেয়ে তামান্না ফোন করে বলেছিল, ‘তোমাদের জামাই, বেয়াই, বিয়ান আমাকে অনেক মেরেছে টাকার জন্য। তোমরা আমাকে নিয়ে যাও। আমি বাঁচবোনানে।’’
আকতার মোল্যা আরো জানান, তিন বছর আগে তার মেয়েকে কালিয়ার পারবিষ্ণুপুর গ্রামের রব্বেল শেখের ছেলে শিপন শেখের সঙ্গে বিয়ে দেন। বিয়ের সময় সমিতি (এনজিও) থেকে লোন করে সাংসারিক লক্ষাধিক টাকার মালামাল দেওয়া হয়। কিছুদিন ভালোভাবে সংসার করে মেয়ে। পরে তাদের একটা মেয়েসন্তানও হয়।
‘কিন্তু কিছুদিন পর থেকে আমার মেয়েকে শারীরিক নির্যাতন শুরু করে আরো টাকা চায় বিদেশ যাবে বলে। আমি ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাই। তাই তাদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে পারিনি। সেই কারণে আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে। আমি মেয়ে হত্যার বিচার চাই।’
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে আছি। তামান্নার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা পলাতক আছে। আশা করি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’

আরও পড়ুন