যবিপ্রবি জেনোম সেন্টারে ফের নমুনা পরীক্ষা শুরু

আপডেট: 01:22:44 01/06/2020



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে ফের শুরু হলো সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের নমুনা পরীক্ষার কাজ।
রোববার যশোর থেকে সংগ্রহ করা নমুনাগুলোর মধ্যে ১৮টি পাঠানো হয়েছে যবিপ্রবি ল্যাবে। এদিন সংগ্রহ করা ৪৪টি নমুনার মধ্যে ২৬টি খুলনা মেডিকেল কলেজ ল্যাবে পাঠিয়ে দিয়েছে সিভিল সার্জনের কার্যালয়।
যবিপ্রবি অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সেলিনা আক্তার রোববার রাতে সুবর্ণভূমিকে জানান, এদিন যশোর সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে পাওয়া ১৮টি নমুনা ছাড়াও ল্যাবে নতুন যোগ দেওয়া স্বেচ্ছাসেবীদের শরীরের নমুনাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রমের চতুর্থ এই দলটিতে নতুন চারজন স্বেচ্ছাসেবী যোগ দিয়েছেন; যারা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। এদের দুইজন এসেছেন ময়মনসিংহ থেকে, একজন যশোর শহরের এবং একজন যশোরের চৌগাছার। টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. হাসান মো. আল ইমরান; যিনি বাংলাদেশে ক্লিনিক্যাল মাইক্রোবায়োলজির শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ ড. সমীরকুমার সাহার সরাসরি তত্ত্বাবধানে কাজ করেছেন
ড. সেলিনা জানান, স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে যারাই কাজ করতে আসেন, তাদের শরীর থেকে নমুনা নিয়ে তা প্রথম দিনই পরীক্ষা করা হয়।
এর আগে রোববার বিকেলে যবিপ্রবি অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ইকবাল কবির জাহিদ সুবর্ণভূমিকে জানিয়েছিলেন নমুনা পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় যশোরসহ এই অঞ্চলের সাত জেলার সিভিল সার্জনদের ইমেইল করা হয়। একজন শিক্ষক সিভিল সার্জনদের ফোনও করেন।
গত ২০ মে সুপার সাইক্লোন আম্পানের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলা। ওই দিন সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় যবিপ্রবি জেনোম সেন্টারে নমুনা পরীক্ষার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। টানা ৭২ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা। এছাড়া সাইক্লোনের দিন করিডোর গলে পানি ঢুকে যায় যবিপ্রবি ল্যাবে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন এই সুযোগে ল্যাব পরিচ্ছন্ন তথা জীবাণুমুক্ত করার কাজ শুরুর নির্দেশ দেন। সেই অনুযায়ী কাজ শেষ করে রোববার ১১ দিনের মাথায় ফের নমুনা পরীক্ষার কাজে ফিরলো যবিপ্রবি।

আরও পড়ুন