যশোরে করোনা রোগী হিসেবে বুধবার যারা শনাক্ত হলেন

আপডেট: 03:21:02 25/06/2020



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে আজ বুধবার যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, গৃহিণী, সরকারি-বেসরকারি চাকুরে, শ্রমিক, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষার্থী, পুলিশ, কৃষক প্রভৃতি শ্রেণি-পেশার মানুষ রয়েছেন।
আক্রান্তদের মধ্যে সর্বাধিকের বসবাস যশোর সদর উপজেলায়, ১৭ জনের। এর মধ্যে আবার যশোর শহরের বাসিন্দা ১২ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে অভয়নগর উপজেলা। সেখানে আজ ১১ জন আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন।
আজ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্তদের মধ্যে ৩৪ জন পুরুষ ও ১১ জন নারী।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, যশোর শহরের বাসিন্দা, যারা আজ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন তারা হলেন, একটি ইনস্যুরেন্স কোম্পানির চাকুরে বারান্দি এলাকার এক বাসিন্দা (৫০), একই এলাকার ১৯ বছরের এক তরুণ, ওই এলাকার ৪৫ বছর বয়সী এক গৃহিণী, ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী, পুরাতন কসবা কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা ঝিকরগাছা থানার এসআই হেলালুজ্জামান (৪৫), জেনারেল হাসপাতাল কোয়ার্টারের বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সী এক ওয়ার্ডবয়, ঘোপ জেল রোডের ৩৮ বছর বয়সী এক বেসরকারি চাকরিজীবী, বেজপাড়া এলাকার ৫৫ বছর বয়সী এক গৃহিণী, ঘোপ এলাকার ৩৭ বছর বয়সী এক ব্যাংকার, জেনারেল হাসপাতালের এক স্টাফ নার্স, যিনি আরবপুর এলাকার বাসিন্দা, যশোরের বাইরে চাকরিরত এক সেনা কর্মকর্তা, যার বাড়ি শহরের পুরাতন কসবা বিমান অফিস এলাকায় এবং মাইকপট্টি এলাকার বাসিন্দা নাজমুল হক (৪০) নামে এক কাস্টমস ইনসপেক্টর।
শহরের বাইরে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন, শহরতলীর পুলেরহাট এলাকার এক মুদি দোকানি (৬৫), চুড়ামনকাটি এলাকার ৬২ বছর বয়সী এক কৃষক, নূতন উপশহরের ৮০ বছরের এক বৃদ্ধ, ছাতিয়ানতলার একই বয়সী আরেক বৃদ্ধ এবং ৪২ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী (বিস্তারিত ঠিকানা নেই)।
অভয়নগরে আক্রান্তরা হলেন, উপজেলার রাজঘাট এলাকার ৪৭ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী, ৩৫ বছর বয়সী এক গৃহিণী, শংকরপাশা এলাকার ২৬ বছর বয়সী এক ছাত্র, নওয়াপাড়ার ৩৫ বছরের এক গৃহিণী, গুয়াখোলার ৬৪ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী, একই এলাকার ৩০ বছরের এক এনজিও কর্মী, ৬০ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী, কাপাসিহাটির ৫১ বছর বয়সী এক গৃহিণী, চলিশিয়ার ৬২ বছরের এক গৃহিণী এবং নওয়াপাড়া শহরের বেঙ্গল রোডের ৩৮ বছর বয়সী এক গৃহিণী। এছাড়া বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ইন্টার্ন ডাক্তার ফয়সাল মাহমুদও আক্রান্ত হয়েছেন, যিনি অভয়নগরের নওয়াপাড়া শহরের বাসিন্দা।
অন্যান্য এলাকার মধ্যে মণিরামপুরের দেবীদাসপুরের ৩৭ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী, চৌগাছার কালিতলা এলাকার ৭০ বছর বয়সী এক রংমিস্ত্রি ও তার ৬৫ বছর বয়সী স্ত্রী, শার্শা উপজেলার জেরিনগাছা গ্রামের এক বেসরকারি চাকরিজীবী (৩২), বাঘারপাড়ার দোহাকুলা এলাকার বাসিন্দা এক উপসহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (৪২), ঝিকরগাছার চন্দ্রপুর গ্রামের ২৪ বছর বয়সী এক ছাত্র, মণিরামপুরের পারখাজুরা গ্রামের ৩০ বছর বয়সী এক কৃষক, কেশবপুরের ভোগতি এলাকার ২৭ বছর বয়সী এক ছাত্র, ঝিকরগাছার পুরন্দরপুর এলাকার ২৫ বছর বয়সী এক এনজিও কর্মী, কেশবপুর শহরের মধু সড়কের বাসিন্দা ৩২ বছর বয়সী এক নারী স্বাস্থ্য সহকারী, বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কর্মরত ৪১ বছর বয়সী এক পুলিশ কনস্টেবল, শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের এক তরুণ চাকরিজীবী, যিনি লাউতাড়া গ্রামের বাসিন্দা, একই উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের ৫০ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী, বাঘারপাড়ার বাসুয়াড়ি গ্রামের ২৮ বছরের এক যুবক, একই উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী এক কৃষক, শার্শার বেনাপোলের ৩৮ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী এবং একই উপজেলার ছোটআঁচড়া গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি আজ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

আরও পড়ুন