যশোর শহরের দুটি ওয়ার্ডে কঠোর বিধিনিষেধ

আপডেট: 10:42:45 05/06/2021



img

স্টাফ রিপোর্টার: করোনা প্রতিরোধ কমিটি যশোর পৌরসভার দুইটি ওয়ার্ডকে সরকারি বিধিনিষেধ কঠোরভাবে প্রতিপালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  
আজ শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।  
যশোরে করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান রাত নয়টার দিকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছেন।  
তিনি জানান, জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় যশোর পৌরসভার ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সরকারি বিধি নিষেধ কঠোরভাবে প্রতিপালনে সীমিত পরিসরে জনসাধারণ চলাচল করতে পারবে। বিনা প্রয়োজনে এই দুই ওয়ার্ডের লোকজন ঘরের বাইরে যেতে পারবেন না। এ লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাইকিঙের ব্যবস্থা করবে। জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে ৷ পুলিশ সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করবে৷ আইন অমান্যকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানানো হয়।  
তিনি জানান পৌরসভার ৩ নম্বর ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা (৫ জুন পর্যন্ত) ৩৩ জন করে। সেক্ষেত্রে ৩ নম্বর ওয়ার্ডকে ৮টি পয়েন্টে ভাগ করা হয়েছে। এরমধ্যে দুইট পয়েন্ট দিয়ে জনসাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে পারবে। অপরদিকে, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ১৫টি পয়েন্টের মধ্যে ৭টি পয়েন্ট দিয়ে চলাচল করতে পারবে। বাকি পয়েন্টগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়া হবে।  
এক প্রশ্নের জবাবে এডিএম এই প্রতিনিধিকে বলেন, আমরা এটিকে লক ডাউন বলছি না। সরকারি বিধিনিষেধ কঠোরভাবে প্রতিপালন করা হবে বলা হচ্ছে।   
এছাড়া, যশোর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ২১ এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ২২জন, সেই এলাকা দুটি কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে বলে তিনি জানান।  
যশোর ছাড়াও অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভার ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ১৮ ও ১১জন।  উপজেলা প্রশাসন ওই দুটি ওয়ার্ডে বিধিনিষেধ কার্যকর করতে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।  
অপরদিকে, ঝিকরগাছা উপজেলার ৪ নম্বর গদখালী ইউনিয়নে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ জন। উক্ত ইউনিয়নে আক্রান্তদের বাড়ি চিহ্নিত করে কঠোরতা অবলম্বনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।  
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মোঃ সায়েমুজ্জামান বলেন আজকের সভায় যশোরের জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন, যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন। 

আরও পড়ুন