শনাক্ত ৪৮ জনের মধ্যে ১৭ মাসের শিশু, ১৬ নারী

আপডেট: 02:39:31 28/06/2020



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে আজ যে নতুন ৪৪ জনকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে শনাক্ত করা হয়েছে, তার মধ্যে ২৮ জনই অভয়নগর উপজেলার বাসিন্দা। যশোর শহরের রয়েছেন নয়জন।
শনাক্তদের মধ্যে ১৬ জন নারী। রয়েছে ১৭ মাস বয়সী একটি শিশুও। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
শুক্রবার পরীক্ষা করে শনিবার সকালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে ফলাফল আসে, তাতে যশোরের ৪৮টি নমুনা পজেটিভ বলে শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে চারটি ছিল ফলোআপ। বাদবাকি ৪৪টি নতুন নমুনা।
এদিনের তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নতুন শনাক্তদের মধ্যে যশোর শহরের রয়েছেন শিশুসহ নয়জন। তারা হলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ৪৮ বছর বয়সী এক নারী কর্মী, যার বাড়ি সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নে হলেও বসবাস করেন শহরের পালবাড়িতে। আক্রান্ত হয়েছেন শার্শার একজন শিক্ষিকা (২৯), যার অবস্থান যশোর পুলিশের স্টাফ কোয়ার্টারে। ওই নারীর ১৭ মাস বয়সী শিশুসন্তানও আক্রান্ত হয়েছে।
আক্রান্ত হয়েছেন সোনালী ব্যাংক ঝিকরগাছা শাখার আরো দুই কর্মী, যাদের বয়স ৪৩ ও ৩১। বসবাস যথাক্রমে যশোর শহরের পালবাড়ি ও শংকরপুর এলাকায়। এছাড়া শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়া এলাকার ২২ বছরের এক যুবক, পশ্চিম বারান্দিপাড়ার ৬৭ বছর বয়সী এক ঠিকাদার এবং শেখহাটি বাবলাতলা এলাকার ২২ বছরের এক ছাত্র রয়েছেন।
আজ অভয়নগরে আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন বেঙ্গল জুটমিল এলাকার ২৩ বছর, গুয়াখোলা এলাকার ৪৮, ৫০, ৫৫ ও ২৬ বছর বয়সী চার গৃহিণী। রয়েছে ওই এলাকার এক ষোড়শী শিক্ষার্থীর নামও।
এছাড়া অভয়নগরের ৭৫ বছর বয়সী এক কৃষক, নওয়াপাড়া শহরের ৪৮ বছর বয়সী এক নিরাপত্তা প্রহরী, গুয়াখোলা এলাকার ৫২, ৩২, ৫২, ৪৫, ৬২, ৬৫ ও ৬৭ বছর বয়সী সাত ব্যবসায়ী, ৩৮ বছর বয়সী এক চাকরিজীবী, ৮৫ বছরের এক বৃদ্ধ আক্রান্ত হয়েছেন। তালিকায় নাম রয়েছে রাজঘাট এলাকার ৪৩, ৩৬ বছর বয়সী দুই ব্যবসায়ী এবং ৪০ ও ৫০ বছর বয়সী দুই গৃহিণীর।
অভয়নগরে আক্রান্ত অন্যদের মধ্যে রয়েছেন সোহাগ পরিবহনের ৫০ বছর বয়সী এক গাড়িচালক, বুইকারা এলাকার ৪৫ ও ৬০ বছর বয়সী দুই ব্যবসায়ী, ৫০ ও ৪৫ বছরের দুই গৃহিণী, গাবুখালি গ্রামের ৪৫ বছরের এক কৃষক, দুর্গাপুরের ৩৮ বছরের এক গৃহিণী, ধুলগ্রামের ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী এবং নওয়াপাড়ার ৫০ বছর বয়সী এক শিক্ষক।
তালিকায় নাম রয়েছে যশোর জেলা প্রশাসকের দপ্তরের এক অবসরপ্রাপ্ত অফিস সহকারীর, যিনি ঝিকরগাছা শহরের কৃষ্ণনগর এলাকায় বসবাস করেন।বাঘারপাড়ার ৩৭ বছর বয়সী এক গৃহিণী; কেশবপুরের বড়েঙ্গা গ্রামের ৩০ বছর বয়সী আরএফএল কোম্পানির এক কর্মী (যিনি ২২ জুন নিজ বাড়িতে আসেন); শার্শার বাহাদুরপুর গ্রামের ৫৮ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী, গাতিপাড়ার ৪০ বছর বয়সী এক গৃহিণী, বেনাপোলের বাসিন্দা ও পরিবার পরিকল্পনা অফিস শার্শার এক নারী কর্মী (৩১), বড়আঁচড়ার এক ব্যবসায়ীও আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন।

আরও পড়ুন