শৈলকুপায় ২ সাংবাদিকের নামে মামলা, কর্মসূচি

আপডেট: 07:54:13 06/11/2019



img

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ঝিনাইদহের শৈলকুপায় দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা’ প্রত্যাহার ও থানার ওসি-কে প্রত্যাহারের দাবিতে জরুরি সভা করেছে প্রেসক্লাব। এছাড়া দাবি আদায়ে সাতদিনের আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে ডিবিসি নিউজের ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি আব্দুর রহমান মিল্টন এবং শৈলকুপা প্রেসক্লাব সদস্য অনলাইন নিউজপোর্টাল বাংলালাইভের স্টাফ রিপোর্টার শিশু সাংবাদিক রামিম হাসানকে আসামি করে একটি মামলা হয়। তাদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
সাংবাদিকরা অভিযোগ করছেন, তাদের ওপর হামলা মামলার বাদী ও স্বাক্ষীসহ সংশ্লিষ্টদের শায়েস্তা করতে দুর্বৃত্ত-হামলাকারীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে নেমেছেন শৈলকুপা থানায় ওসি বজলুর রহমান। ওসি সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা-হয়রানিমূলক মামলা নিচ্ছেন। সাংবাদিকদের ফাঁসাতে সমাজ-পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন বিতর্কিত এক নারীকে দিয়ে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রেকর্ড করিয়েছেন ওসি বজলুর রহমান।
এ ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপা প্রেসক্লাব বুধবার সকালে এক জরুরি বৈঠক করে। বৈঠকে শৈলকুপা থানার ওসির ‘বিতর্কিত কর্মকাণ্ড’ তদন্তের দাবি তোলা হয়।।
সভায় দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ, মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান, গণজিডি, কলমবিরতি, অনশন, মুখে কালো কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ এবং থানা পুলিশের ইতিবাচক সংবাদ বর্জন। এছাড়া ঘটনার প্রতিবাদে পরের সপ্তাহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে স্বাক্ষাতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছ। কোন প্রকার যাচাই-বাছাই, তদন্ত ছাড়াই গুরুতর অভিযোগ মামলা আকারে গ্রহণ করায় সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।
প্রেসক্লাব সভাপতি এম হাসান মুসা এতে আজকের সভায় সভাপতিত্ব করেন।
এসময় শৈলকুপা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আক্তার পলাশ, ডাকুয়া সম্পাদক শামীম বিন সাত্তার, সমকালের তাজনুর রহমান, নয়াদিগন্ত ও লোকসমাজের মফিজুল ইসলাম, মানবজমিনের ওয়ালি উল্লাহ, দৈনিক যশোরের নোমান পারভেজ, আমার সংবাদ ও সত্যপাঠের আব্দুল জাব্বার, সমাজের কথার মাসুদুর রহমান, ডাকুয়ার বার্তা প্রধান তুহিন জোয়ার্দার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তবে, মামলার বিষয়ে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগ মিথ্যা হলে উল্টো ওই নারীর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

আরও পড়ুন