সাংবাদিক ডাক্তারসহ যশোরে যারা আক্রান্ত হলেন

আপডেট: 10:46:51 06/08/2020



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে আরো যে ৭৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে, তাদরে মধ্যে ডাক্তার, সাংবাদিক, স্বাস্থ্যকর্মী, ব্যাংকার, চাকরিজীবী, গৃহিণী, শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার ও বিভিন্ন বয়সী মানুষ রয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার প্রকাশ হওয়া ৭৯ জনের মধ্যে যশোর শহরসহ সদর উপজেলার ১৮ জন, শার্শা উপজেলার ছয়জন, ঝিকরগাছায় ১২ জন, অভয়নগরে দুইজন, কেশবপুরে নয়জন, চৌগাছায় ১২ জন, বাঘারপাড়ায় দশজন এবং মণিরামপুর উপজেলায় দশজন রয়েছেন।
যশোর শহরসহ সদর উপজেলায় আক্রান্তদের মধ্যে আছেন, বাংলাদেশ বেতার ও দৈনিক স্পন্দনে কর্মরত ঘোপ এলাকার বাসিন্দা রিমন খাঁন (৫২) ও তার ভাই আশা খান (৬৩), রেলগেটের নাসরিন সুলতানা (৫০), লেবুতলার আব্দুল খালেক (৬০), বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার জাহানারা বেগম (৭৬), রিফাত জাহান খান (৪৪), নিরুপমা বড়াল (৪৭), মৌমিতা বড়াল (২৪), উত্তমকুমার বড়াল (৬৯), মুক্তি চক্রবর্তী (৫০), সুশান্ত দে (৪০) ও অহনা (৩), লোন অফিসপাড়ার শেখ নাইমুদ্দিন (৫৭), লোহাপট্টির শাহনাজ পারভিন (৬০), নূতন উপশহরের খলিলুর রহমান (৬৫), উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মিজানুর রহমান (৫৫), যশোর মেডিকেল কলেজের গাইনি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রবিউল ইসলাম (৫৮) এবং বারান্দিপাড়ার আব্দুল গনি (৪৭)।
চৌগাছা উপজেলায় শনাক্ত হয়েছেন বিশ্বাসপাড়ার আনিসুজ্জামান (৪৫), কমলাপুরের তানভির আহমেদ (২৫) ও সবুর খান (২৫), সোনালী ব্যাংকের মোতাসিম বিল্লাহ (৩৫), সিংহঝুলির তহিদুল ইসলাম (৩১), গোলহাটির জোহরা বেগম (৫৩), মৃধাপাড়ার আনিসুর রহমান (৫৬), ছোট কাকুঁড়িয়ার ফারুক (৩৫), উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইমরান হোসেন (৩৯), তারনিবাসের এরশাদ আলী (৭৪) ও রোকেয়া বেগম (৬০) এবং মেহেদী হাসান নামের ঠিকানাবিহীন এক ব্যক্তি।
কেশবপুর উপজেলায় আছেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আব্দুল হামিদ (৪২), মেহেদী হাসান রিপন (৩৮), দেবাশিষ দেবনাথ (৪০) ও মিজানুর রহমান (৩৩), সোনালী ব্যাংকের সুমনকুমার রায় (৩০), বেটিখোলার রুহুল কুদ্দুস (৩০), কলেজপাড়ার আহসান হাবিব (২৯) এবং কেশবপুর বাজারের খলিলুর রহমান (৩৮)। এছাড়া কেশবপুরে নমুনা প্রদানকারী মণিরামপুরের হাসান আলী (৫০) নামে এক ব্যক্তিও করোনায় আক্রান্ত।
অভয়নগর উপজেলায় শনাক্ত হয়েছেন আজিজুর রহমান (৪৮) এবং ভাটপাড়ার তাসকিদুর রহমান (৩৫) নামে দুই ব্যক্তি।
বাঘারপাড়া উপজেলায় শনাক্তদের মধ্যে আছেন জামালপুরের আব্দুল আজিজ (৬০), কয়ালখালির কামাল হোসেন (৪৫), দোহাকুলার হারুন বিশ্বাস (৫০) ও হুমায়ুন কবির (৩৮), মহিরনের সজিবুর আলম (৪৪), মোস্তাক হোসেন (৪০), শংকর বণিক (৫২) ও বাবুল গাজী (৫৫), বন্দবিলার মামুনুর রশিদ (৫৬) এবং নারিকেলবাড়িয়ার বেগম ফরিদা (৪৫)।
ঝিকরগাছা উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন সোনাকিরোর কামাল হোসেন (৩৫), লক্ষ্মীপুরের হাসান কাদের (৩৬), কৃষ্ণনগরের মিজানুর রহমান (৫৭), মাসুমা পারভিন (৩১), কাইসান হাবিব (৪), ফাইরুজ মালিহা (১৪), শেখ শাহরিয়ার হাবিব (৩৬), শেখ ইতিহাত ইমাম (৬), তানিয়া আফরোজ (৩৭), শেখ ইমামুল হাবিব (৭০) ও শিফাত শবনম (১৩) এবং মিসরিদিয়াড়ার উম্মে হাবিবা (৪৬)।
শার্শা উপজেলায় আছেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফাহিমা খাতুন (৩২) ও শেফালিরানি দাসী (৫৬), বেনাপোলের সাবিকুন নাহার (৩৮) ও আসগর আলী (৫৫), নিজামপুরের দীপ (১৮) এবং গোড়পাড়ার হাবিবুর রহমান (২২)।
মণিরামপুরে উপজেলায় আক্রান্তরা হলেন খেদাপাড়ার রিনা ব্যানার্জি (৫০), চন্দনা ব্যানার্জি (৩২) ও হ্যাপি রায় (৪৫), মণিরামপুর বাজারের হিমাংশু বিশ্বাস (৫৫) ও রেখা সাহা (৬৫), আলতাপোলের তপন পাল (৫৬), কমলাপুরের রামকৃষ্ণ শীল (৬২) ও রীতারানি (৫৪), মোহনপুরের রোজিয়া সুলতানা (৩৮) এবং পাটানের আব্দুর রাজ্জাক (৩৮)।
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানান, ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে আক্রান্তদের তালিকা দেওয়া হয়েছে। তারা বাড়ি লকডাউনসহ অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

আরও পড়ুন