‘জামতলার টাইগারের’ দাম হাঁকা হচ্ছে ছয় লাখ

আপডেট: 07:05:24 11/07/2021



img

স্টাফ রিপোর্টার, বেনাপোল (যশোর): আড়াই বছর ধরে লালন পালন করা ‌‘জামতলার টাইগার’ নামের ষাঁড়টি এবার কুরবানির হাটে তুলে স্বপ্ন পূরণ করতে চান কৃষক আমিনুল ইসলাম। দাম চাইছেন ছয় লাখ টাকা।
তবে করোনায় উপযুক্ত দাম পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ওই ষাঁড়ের মালিক। গরুটিতে ২০ মণ মাংস আছে বলে দাবি তার। কিন্তু এখন পর্যন্ত ওই দামে ক্রেতা পাননি।
যশোরের শার্শা উপজেলার টেংরা গ্রামে বাড়ি আমিনুলের।   
প্রতিবছরই ঈদুল আজহা এলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে কুরবানির পশু। করোনা মহামারিতে সবকিছু থমকে গেলেও এবারো এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না। দৈহিক আকৃতি ও দামের কারণে কিছু কিছু গরু গণমাধ্যমের শিরোনাম হচ্ছে। তেমনই একটি পশু শার্শা উপজেলার জামতলার একটি ফ্রিজিয়ান জাতের গরু; যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘জামতলার টাইগার’।
উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের জামতলা থেকে এক কিলোমিটার পশ্চিমের গ্রাম টেংরা। 'জামতলার টাইগার' নামের গরুটি পালন করেছেন এখানকার কৃষক আমিনুল ইসলাম। কালো ডোরাকাটা রঙের গরুটিকে আড়াই বছর ধরে সন্তানের মত লালন পালন করে আসছেন তিনি ও তার স্ত্রী হাজিরা বেগম।
গরুটি ছয় লাখ টাকায় বিক্রি করতে চান তিনি। বাজারে তোলার আগেই স্থানীয় এক ব্যাপারি চার লাখ টাকা দাম দিতে চেয়েছেন বলে জানান তিনি।
আমিনুল বলেন, নিজস্ব গাভি ফ্রিজিয়ান ক্রস করে গরুটির জন্ম। এই ষাঁড়টির বর্তমান বয়স আড়াই বছর। ষাঁড়টিতে ২০ মণ গোশত পাওয়া যাবে বলে স্থানীয় মাংস ব্যবসায়ীরা বলেছেন। স্বাভাবিকভাবে এ জাতের গরু ২৫-৩০ মণ পর্যন্ত হতে পারে।
তিনি জানান, গরুটি বড় করার ক্ষেত্রে তিনি খড়, বুট ও ছোলার ভুসি, গম, চিটাগুড়, ভেজানো চাল, খৈল, নেপিয়ার ঘাসসহ প্রাকৃতিক খাবারই দিয়েছেন। মোটাতাজা করতে বিশেষ কোনো পদ্ধতিও ব্যবহার করেননি।
টেংরা গ্রামের মেম্বার মোজাম গাজি বলেন, অভাবি আমিনুল অনেক যত্ন নিয়ে গরুটি লালন-পালন করেছেন। করোনার এই সময় উপযুক্ত দাম পাবেন কি-না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ন্যায্য দাম না পেলে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন।

আরও পড়ুন