‘দুই নারীকে ধর্ষণ ও পাচারচেষ্টা’, গ্রেফতার ৩

আপডেট: 10:22:48 23/09/2020



img

স্টাফ রিপোর্টার, বেনাপোল (যশোর) : দুই নারীকে ধর্ষণ ও পাচারচেষ্টার অভিযোগে বেনাপোল ও ঝিকরগাছা থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা থেকে আসা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় আনা হয়।
গ্রেফতার তিনজন হলেন, বেনাপোল পোর্ট থানার রায়পুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৪), ধান্যখোলা গ্রামের শাহিন আলী (২৬) এবং ঝিকরগাছার সুনীল ঘোষের ছেলে বিপ্লব ঘোষ (৩১)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার তিনজন ঢাকা থেকে অবৈধ পথে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশে আসা দুই নারীকে বেনাপোলের পুটখালী এলাকার একটি জায়গায় ধর্ষণও করে। ধর্ষিতা দুই নারী ভারতে ঢুকতে না পেরে ঢাকায় ফিরে পুলিশের কাছে ধর্ষণ ও পাচারের অভিযোগ করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে এই তিনকে গ্রেফতার করা হয়।
পরে গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেনাপোলের রায়পুর গ্রাম থেকে রফিকুল ইসলামকে, একই দিন বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা গ্রাম থেকে শাহিন আলীকে এবং বুধবার সকালে ঝিকরগাছার বারাকপুর গ্রাম থেকে বেনাপোল চেকপোস্টের দীপ এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার বিপ্লব ঘোষকে ঢাকা সিআইডি পুলিশ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর তাদের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে বুধবার বিকেলে বেনাপোল পোর্ট থানায় আনা হয়। বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে একটি মাইক্রোবাসে করে আসামিদেরকে ঢাকার উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেনাপোল চেকপোস্টের সাদিপুর সড়কে অবস্থিত ‘দীপ এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ওই নারীকে সীমান্ত পার করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।
এ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সত্বাধিকারী দীপনারায়ণ বলেন, ‘যতদূর জেনেছি গ্রেফতার রফিকুল মেয়ে দুটোকে ঢাকা থেকে এনেছিল। সে আমার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার বিপ্লব ঘোষের নাম পুলিশের কাছে উল্লেখ করেছে। এটা পাচার ও ধর্ষণ- দুটোই হতে পারে।’
বেনাপোল পোর্ট থানার দায়িত্বরত অফিসার এএসআই মুরাদ হোসেন বলেন, ‘গ্রেফতার ব্যক্তিদের সম্পর্কে আমরা সুনিশ্চিত কিছু জানি না। তবে সম্ভবত এটা পাচারের অভিযোগ হতে পারে।’
পোর্ট থানার ওসি মামুন খান বলেন, ‘এই বিষয়টি সম্পর্কে আমিও নিশ্চিত নই। বিস্তারিত জানে ঢাকা সিআইডি।’

আরও পড়ুন