‘পুরুষ নির্যাতনের’ প্রতিবাদে লোহাগড়ায় মানববন্ধন

আপডেট: 07:02:24 21/11/2020



img

নড়াইল প্রতিনিধি : লোহাগড়ায় দপুরুষ নির্যাতন, মিথ্যা অভিযোগে হয়রানি ও টাকা-সোনা আত্মসাৎকারী’ স্ত্রীর ষড়যন্ত্র থেকে মুক্তি পেতে মানববন্ধন করাসহ প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন এক ব্যক্তি ও তার প্রতি সহানুভূতিশীল গ্রামের লোকজন। শনিবার (২১ নভেম্বর) বেলা ১১টায় লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের জয়পুরের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্যকালে কথিত নির্যাতিত জয়পুর এলাকার মো. আফজাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার স্ত্রী মিনা বেগম বেশ কিছুদিন আগে আমার বাড়ি থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান আসবাবপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর সে ভুয়া তালাকনামা পাঠিয়েছে এবং আমার নামে প্রশাসনের কাছে নানা মিথ্যা তথ্যসম্বলিত অভিযোগ দায়েরসহ মামলা করে হয়রানি করছে। সংসারে থাকাকালে মিনা বেগম আমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। এখন মিনা বেগমের নানা হুমকিতে আমি তৃতীয় শ্রেণিপড়ুয়া মেয়ে সামিয়া খাতুনকে নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমি ওই নারীর ষড়যন্ত্র থেকে মুক্তি চাই।’
ভুক্তভোগী লোহাগড়া পৌরসভার জয়পুর গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে আফজাল হোসেন (৪৬) আরো জানান, ২০০৮ সালে নড়াইল সদর উপজেলার চিলগাছা রঘুনাথপুর গ্রামের আইয়ুব মোল্যার মেয়ে মোছাম্মৎ মিনার (৩৬) সঙ্গে তার বিয়ে হয়। এর আগেও মিনার দুইবার বিয়ে হয়েছিল।
‘ব্যবসার কাজে বাইরে থাকায় গত ১ জুন মিনা সুযোগ বুঝে তার সস্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমার বাড়িতে প্রবেশ করে এবং নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, ফ্রিজসহ দামি আসবাবপত্র নিয়ে যায়। আমি এ ঘটনায় লোহাগড়া থানায় গত ২৬ জুন মামলা করি। মামলা নম্বর ২১। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। মিনা বেগম ও তার সমর্থিত সন্ত্রাসী বাহিনী বিভিন্নভাবে আমাকে ও আমার মেয়ে সামিয়াকে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। আমি ওই নারীর হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা চাই,’ বলেন আফজাল।
তার তৃতীয় শ্রেণিপড়ুয়া মেয়ে সামিয়া খাতুন বলে, ‘আমার মা মিথ্যা কথা বলে সোনা-দানা, টাকা নিয়ে চলে গেছে। আব্বার নামে মিথ্যা অভিযোগ করিছে।’
জয়পুর গ্রামের লাকী বেগম বলেন, মিনা মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আফজাল হোসেনকে হয়রানি করছেন।
মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর বিশ্বনাথ দাস ভুন্ডুল, প্রভাষক মো. তজিবর রহমান, শাহরিয়ার মারুফ, আলী সিকদার, সাবেক মেম্বার মো. টুকু সিকদার প্রমুখ।
অভিযুক্ত নারী মিনা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন