ব্যাগ স্ক্যানিংয়ের সময় লাখ টাকা চুরি

আপডেট: 10:13:34 25/09/2021



img

স্টাফ রিপোর্টার, বেনাপোল (যশোর): নিñিদ্র নিরাপত্তার মধ্যে বেনাপোল কাস্টমস স্ক্যানার থেকে ভারতফেরত মোস্তফা কামাল নামে (পাসপোর্ট নম্বর- এ ০০২৬২৮৫৩) এক বাংলাদেশি যাত্রীর ব্যাগ থেকে এক লাখ টাকা চুরি হয়ে গেছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে রয়েল (৩২) নামে এক যুবককে টাকা চোর হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে টাকা উদ্ধার হয়নি।
বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে যাত্রীদের লাগেজ বহনকারী শ্রমিকরা রয়েলকে ধরে চেকপোস্ট কাস্টমসের কাছে হস্তান্তর করেন।
শনিবার বিকেল তিনটার সময় এই ঘটনা ঘটে আন্তঃগমন স্ক্যানারে লাগেজ তল্লাশির পর কাস্টমস কর্মকর্তাদের সামনে। সংশ্লিষ্ট যাত্রী কুমিল্লার তিতাস এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে।
চুরিতে অভিযুক্ত রয়েল বেনাপোলে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকেন। তার বাবার নাম মফিজ উদ্দিন।
চেকপোস্টের হ্যান্ডলিং শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি নুরনবী শেখ বলেন, ভারত থেকে চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কাস্টমস স্ক্যানারে ব্যাগ দিয়েছিলেন ওই যাত্রী। এরপর ওই ব্যাগে টাকা আছে সন্দেহ হয় কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রবিউল মোর্শেদের। তিনি ব্যাগটি ফের স্ক্যানারে দিতে বলেন। ওই সময় পেছন থেকে ব্যাগের মধ্যে থাকা এক লাখ টাকা রয়েল নামে ওই যুবক চুরি করে নিজ পকেটে রাখেন। এরপর ব্যাগটি স্ক্যানারে দিলে তাতে টাকা পাওয়া যায়নি। যদিও লাগেজে এক লাখ টাকা থাকার কথা। স্ক্যানার টাকা শনাক্ত না করায় ওই যাত্রীর সন্দেহ হয়। এরপর তিনি যাত্রী টারমিনালে এসে ব্যাগটি খুলে টাকা না পেয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। পরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সিসিটিভি ফুটেজে এক যুবককে টাকা নিতে দেখেন। ফুটেজ দেখে চোর হিসেবে রয়েলকে শনাক্ত করা হয়।
তিনি বলেন, ‘এরপর রয়েলকে বাড়ি থেকে আমরা ধরে এনে কাস্টমসে এনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করি।’
কাস্টমসে কর্মরত এনজিও কর্মী সুমন হোসেন বলেন, টাকা চুরি হয়েছে এটা সত্য। এবং যাকে শ্রমিকরা ধরে এনেছে তাকে ভিডিও ফুটেজে টাকা চুরি করতে দেখা গেছে।
ভুক্তভোগী মোস্তফা কামাল বলেন, ভারতে চিকিৎসার জন্য তিনি যে টাকা নিয়ে গিয়েছিলেন, তার সব খরচ হয়নি। উদ্বৃত্ত টাকা তিনি নিজ ব্যাগে রাখেন। খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধারের ব্যাপারে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কোনো দায়ভার নেবেন না বলে তাকে জানিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন এই যাত্রী।
চেকপোস্ট কাস্টমসের রাজস্ব অফিসার আব্দুস সালাম বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তারা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেই মোতাবেক কাজ করা হবে।

আরও পড়ুন