বাল্য বিয়ে বন্ধ হলো, কিশোরীর স্কুল বহাল

আপডেট: 09:06:28 25/09/2021



img

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: জেলা সদরের গাড়াবাড়ীয়া গ্রামে বাল্য বিয়ে বন্ধ করে এক কিশোরীকে (১৪) ফের স্কুলে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।  
তার লেখাপড়ার খরচ বহন করবেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহাসীন।
শনিবার বিকেল তিনটার দিকে বিয়ের আয়োজন থেকে ওই কিশোরীকে বিদ্যালয়ে ফেরানোর ব্যবস্থা করেন তিনি। কিশোরীর বাবার আর্থিক অসচ্ছলতার কারণেই অসময়ে তার বিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। বিয়ের আয়োজনে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বরপক্ষ আর আসেনি।
থানার ওসি মোহাম্মদ মহাসীন বলেন, ‘স্থানীয় মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট মানি খন্দকারের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি, নবম শ্রেণিপড়ুয়া এক কিশোরীর সঙ্গে আলমডাঙ্গা উপজেলার এক যুবকের যবিয়ে হচ্ছে। এরপর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্কুলের শিক্ষকসহ আমরা বিকেল তিনটার দিকে বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হই। মেয়ের অভিভাবকের সঙ্গে কথা বললে তিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কথা জানিয়ে ওই কিশোরীর পড়ালেখা চালানোর অক্ষমতা প্রকাশ করেন। তখন আমরা তার পড়াশোনার যাবতীয় ব্যয়ভার গ্রহণ করি। তাৎক্ষণিকভাবেই ওই কিশোরীর দুই বছরের স্কুল ফি, পরীক্ষার ফিসহ বিদ্যালয়ের সব খরচ পরিশোধ করে দিই। এছাড়াও তার যাবতীয় শিক্ষা উপকরণেরও ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। পরে সেখানে উপস্থিত সবাই মিষ্টিমুখ করেন।’
এসময় স্থানীয় সীমান্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোছাম্মৎ মেহেজাবিন, স্থানীয় ইউপি সদস্য জিন্নু, মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট মানি খন্দকার ও চুয়াডাঙ্গা থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ ইমরান উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন