'ইজিবাইক ছিনতাইয়ের উদ্দেশে রোহানকে খুন করা হয়'

আপডেট: 09:33:21 27/11/2020



img

স্টাফ রিপোর্টার : নড়াইলের ইজিবাইক চালক রোহান হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া ছিনতাই করা ইজিবাইক ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। মূলত ছিনতাইয়ের উদ্দেশেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে দাবি করেছে পিবিআই।
বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) রাতে নড়াইলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যশোর। শুক্রবার রাতে এই তথ্য দিয়েছে পিবিআই যশোর।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, নড়াইল সদর উপজেলার কোমরখালী গ্রামের আলিম মোল্লার ছেলে আল মামুন (১৯), মনজুর শেখের ছেলে শাহিন শেখ (১৯) ও ভওয়াখালী বিশ্বাসপাড়ার মৃত রফিক মিয়ার ছেলে মাসুদ রানা (৩১)।
পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার রেশমা শারমীন জানান, গত ২৫ নভেম্বর নড়াইল সদর উপজেলার বামনহাট পাকা রাস্তার পাশ থেকে রোহানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রোহানের বাবা চান মিয়া অজ্ঞাতনামা আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তভার পেয়ে পিবিআই যশোর প্রাথমিক তদন্তে রোহান হত্যায় তিনজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পায়। এরপর বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে জড়িত সন্দেহে শাহিন শেখকে নড়াইল বাসটারমিনাল থেকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে, এদিন গভীররাতে অভিযান চালিয়ে আল মামুন ও মাসুদ রানাকে তাদের বাড়ি থেকে আটক করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। পরে এই দুইজনের দেওয়া তথ্য মতে রোহানের কাছ থেকে ছিনতাইকরা ইজিবাইক ও মোবাইল ফোন যশোর উপশহর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আল মামুন ও শাহিন শেখ জানিয়েছে, ছিনতাইয়ের উদ্দেশেই তারা রোহানের ইজিবাইক ভাড়া করে। এরপর বামনহাট এলাকায় নিয়ে রোহানকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে। রাস্তার পাশের তার মরদেহ ফেলে এবং ইজিবাইক ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ওই রাতেই তারা মাসুদ রানার কাছে ইজিবাইকটি ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করে।
পুলিশ সুপার রেশমা শারমীন আরো জানান, আটক তিনজনকে রোহানের বাবার রুজু করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে শুক্রবার নড়াইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোরশেদুল আলমের আদালতে হাজির করা হয়। এসময় তারা হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন