কুরবানি: সাতক্ষীরায় প্রস্তুত ৫৬ হাজার পশু

আপডেট: 07:01:41 17/07/2021



img

আব্দুস সামাদ, সাতক্ষীরা: কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় ৫৬ হাজার ৪০১টি পশু প্রস্তুত করেছেন খামারিরা।
সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম এ তথ্য দিয়ে বলেন, এরমধ্যে বড় গরু পালন করে আলোচনায় এসেছেন কয়েকজন খামারি।
জেলায় এবছর কুরবানি ঈদ উপলক্ষে খামারি ও পশু বিক্রেতাদের জন্য জেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে অনলাইন পশুর হাট খোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে অনলাইন পশুর হাটে বেশ সাড়া পাওয়া গেছে। এখানে বিক্রয়যোগ্য পশুর ছবি ও ভিডিও আপলোড করতে পারছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালা উপজেলার নগরঘাটা উত্তরপাড়া গ্রামের আব্দুল মাজেদ বিশ্বাস প্রায় দুই যুগ ধরে গরু পালন করছেন। যা প্রতিবছর কুরবানির ঈদে তিনি বিক্রি করে থাকেন। এবছর তার খামারে দশটি গরু রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় গরু 'রাজা বাবু'। তাকে তিন বছর ধরে পালন করছেন এই খামারি। পরিবারের সবাই অনেক যত্ন দিয়ে পালন করেছেন 'রাজা বাবু'কে। বিশাল আকৃতির এই গরুর খাওয়ানো, গোসল করানোসহ সব বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হয়। ২৫ মণ ওজনের 'রাজা বাবু'কে দেখতে প্রতিদিনই অনেক মানুষ ভিড় জমান মাজেদ বিশ্বাসের বাড়িতে।
আব্দুল মাজেদ বিশ্বাস বলেন, খামারে 'রাজা বাবু'সহ সকল গরু শাহিওয়াল জাতের। এ জাতের গরু দেখতে সুন্দর, ভারি দেহ এবং গরুর রোগবালাই খুবই কম হয়।
তিনি আরও বলেন, 'রাজা বাবু' স্বাস্থ্যে ও অঙ্গভঙ্গিতে রাজার মতোই। তার খাদ্যের খরচ হয় প্রতিদিন তিন থেকে চারশ' টাকা। তবে ভালো দিক হলো রাজাবাবু পল, কুড়া, ভুষি, খৈল, সবুজ ঘাস, লতাপাতা খেতে বেশি পছন্দ করে। বড় গরু পালন করা খুব কঠিন নয়। অভিজ্ঞ খামারিরা সহজেই এধরনের গরু পালন করতে পারেন। তবে বিক্রি নিয়ে পড়তে হয় দুশ্চিন্তায়। বড় গরু যদি ভালো দামে বিক্রি করা যায় তাহলে গরু পালনে আগ্রহী হবেন খামারিরা।
এদিকে, করোনাভাইরাসের প্রভাবে গরু নিয়ে একটু দুশ্চিন্তায় পড়েছে মাজেদ বিশ্বাসের পরিবার। করোনার কারণে মানুষ বড় গরু ক্রয় কিনছে না বলে জানান তিনি। ইতোমধ্যে রাজাবাবুর দর উঠেছে পাঁচ লাখ টাকা। তবে সাত লাখ টাকায় বিক্রি করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন আব্দুল মাজেদ বিশ্বাস।

আরও পড়ুন