'পাচার হইনি, বিয়ে করে সংসার করছি'

আপডেট: 05:31:20 16/09/2020



img

স্টাফ রিপোর্টার : 'আমাকে কেউ পাচার করেনি। আমি নিজে থেকে শুভেন্দুকে বিয়ে করেছি। পরে সরকারি কর্মচারী শুভেন্দুর কাছে চলে এসেছি।'
মেয়েকে পাচার করা হয়েছে বলে অভয়নগরে তার মা যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তা মিথ্যা দাবি করেছেন উপজেলার হিদিয়া গ্রামের শুভেন্দুর স্ত্রী ও একই গ্রামের কৃষ্ণপদ বিশ্বাসের মেয়ে চম্পা বিশ্বাস।
বুধবার বেলা ১১টায় প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন,  দুজনের সম্মতিতে গত ৯ আগস্ট তারা বিয়ে করেছেন। পরে তারা যশোর শহরের শেখহাটি এলাকায় বসবাস করছেন।
গত ১১ সেপ্টেম্বর তার স্বামীর নামে যশোর আদালতে যে মামলা করা হয়েছে, তা মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেন চম্পা।
বলেন, গত ১২ সেপ্টেম্বর নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তার মা যে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন তার কোনো ভিত্তি নেই। মূলত তার চাচা সুশান্তকুমার বিশ্বাসের ষড়যন্ত্রে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছেন একই গ্রামের সুকান্ত দাস, সমীর দাস, হিরামন বিশ্বাস, ইছামতি গ্রামের মন্টু বিশ্বাস ও বাঘারপাড়া উপজেলার হাবুল্লা গ্রামের সুভাষ বিশ্বাস।
তিনি দাবি করেন, সুশান্ত বিশ্বাস নিজে ভারতে অর্থ ও মানব পাচার করেন। তার ভারতে বেশ কিছু সম্পত্তি রয়েছে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর তার ছোট বোন বন্যা বিশ্বাসকে ভারতে পাচার করেছেন সুশান্ত। এর দায় এখন তার স্বামী শুভেন্দুর ওপর চাপানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে।
এসব বিষয় নিয়ে  এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন দাবি করে চম্পা ও তার স্বামীর পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে চম্পার স্বামী শুভেন্দু উপস্থিত ছিলেন।
গত  শনিবার সকালে নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসে চম্পার মা  দাবি করেন, গত ১১ আগস্ট চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে চম্পাকে ভারতে পাচার করেছেন শুভেন্দু।
তিনি বলেছিলেন, 'দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে শুভেন্দুভূষণ আমার কলেজপড়ুয়া মেয়েকে বিভিন্ন সময় চাকুরির প্রলোভন দেখাতো।'
আজ বুধবার মেয়ে চম্পা সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, তিনি পাচার হননি। স্বেচ্ছায় শুভেন্দুকে বিয়ে করে বাড়ি থেকে চলে এসেছেন।

আরও পড়ুন