'মেসির প্রতিটি উপদেশই শিরোধার্য'

আপডেট: 02:36:38 09/06/2020



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : ধরাধামে এই সময়ের সেরা ফুটবলার কে, নতুন করে এই বিতর্ক তোলার দরকার নেই। লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ছাড়া বিতর্কে তৃতীয় কাউকে তো খুঁজে পাওয়া যায় না। দুজনই নিজেদের এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে সর্বকালের সেরাদের সংক্ষিপ্ত তালিকাতেই জায়গা পেয়ে গেছেন তারা। দুজনের সঙ্গে জাতীয় দলে কিংবা ক্লাবে যারা খেলার সুযোগ পেয়েছেন তারা তো সারা জীবন গল্প করার রসদ পেয়ে গেছেন।
এমনই একজন ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং। হল্যান্ডের তরুণ এই মিডফিল্ডারের সম্ভাবনা আছে বিশ্বসেরাদের একজন হয়ে ওঠার। ডাচ এই তরুণ মাত্র এই মৌসুমেই এসেছেন বার্সেলোনায়, পেয়েছেন লিওনেল মেসির সাহচর্য। ২৩ বছর বয়সী ডি ইয়ং এসেই গুণমুগ্ধ হয়ে গেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকার। মাঠে মেসির প্রতিটি মুহূর্ত খুঁটিয়ে খুঁটিয়েই উপভোগ করেন ডি ইয়ং, চেষ্টা করেন অভিজ্ঞ সতীর্থের প্রতিটি কথা মেনে চলতে।
বিবিসির এক পডকাস্টে (শুধু শব্দভিত্তিক অনুষ্ঠান) মেসিকে কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা বলেছেন ডি ইয়ং। আয়াক্স আমস্টারডাম ছেড়ে বার্সেলোনায় আসা এই মিডফিল্ডারের মতে মেসির দেওয়া প্রতিটি উপদেশই শিরোধার্য করা উচিৎ সব ফুটবলারের। কেন সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ডি ইয়ং, 'লিওনেল মেসি যদি কথা বলেন এবং আপনাকে উপদেশ দেন, আপনার অবশ্যই তা মানা উচিৎ। কারণ তিনিই হলেন বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। তিনি যখন উপদেশ দেবেন, আপনাকে শুনতে হবে। অনেক সময় তিনি হয়তো আপনাকে সামান্য একটু ভিতরে কিংবা পাশে যেতে বলবেন। ছোট ব্যাপার কিন্তু এগুলোই বড় পার্থক্য গড়ে দেয়।'
বার্সেলোনায় এসে যে তার খেলার ধরণও পাল্টে গেছে সেটিও জানিয়েছেন ডি ইয়ং, 'আয়াক্স ও ডাচ দলে আমার অন্য ভূমিকা ছিল। আর এখানে আমরা ডাবল সিক্স (দুজন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার) নিয়ে খেলি। আমাকে মানিয়ে নিতে হয়েছে। এখন কোনো সমস্যা হচ্ছে না তবে আরো উন্নতি করার জায়গা আছে। আমি তখনই সবচেয়ে ভালো খেলি যখন আমার খুব বেশি রক্ষণাত্মক কিংবা আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডারের দায়িত্ব পালন করতে হয় না।'
সূত্র : প্রথম আলো

আরও পড়ুন