প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর সমাহিত

আপডেট: 01:25:06 15/07/2020



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : যে বাতাসে তার গানের সুর ভেসে বেড়াত, যে মাটির সোঁদা গন্ধ মেখে ঘুরে বেড়াতেন গায়ক নিজে; সে বাতাসে আজ শোকের মাতম, মাটি আজ বেদনাসিক্ত। জন্মভূম রাজশাহীতে এভাবেই শেষ আশ্রয় খুঁজে নিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের গানের সম্রাট এন্ড্রু কিশোর।
আজ (১৫ জুলাই) বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে তাকে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের স্থানীয় সমাধিস্থলে সমাহিত করা হয়।
এর আগে সকাল নয়টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমঘর থেকে তার মরদেহ নেওয়া হয় স্থানীয় সিটি চার্চে। সেখানে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়। কিছু সময় চার্চেই রাখা হয় শিল্পীর কফিন। স্বল্প পরিসরে স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভক্তদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাকে সমাহিত করা হয়।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ অনেকে উপস্থিত হন। ঢাকা থেকে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান, অভিনেতা জয় চৌধুরীসহ অনেকে।
ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করে ৬ জুলাই রাজশাহীতে বোনের বাসায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এন্ড্রু কিশোর।
টানা নয় মাস সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থেকে গত ১১ জুন এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে দেশে ফিরেছিলেন এন্ড্রু কিশোর। তারপর থেকে রাজশাহী মহানগরীর মহিষবাথান এলাকায় বোন ডা. শিখা বিশ্বাসের বাসা ও ক্লিনিকে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এই শিল্পী। শিল্পীর দুলাভাই ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. প্যাট্রিক বিপুল বিশ্বাসের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি।
যদিও সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরার আগেই সেখানকার চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, এক মাস থেকে সর্বোচ্চ এক বছর বাঁচবেন এই শিল্পী। মূলত এমন তথ্য পেয়েই দেশে ফিরে এন্ড্রু কিশোর নিজ সিদ্ধান্তে নীরবে চলে যান জন্মশহর রাজশাহীতে। সেখানেই জীবনের শেষ কয়েকটি দিন নিজের মতো কাটালেন তিনি। আর সমাহিতও হচ্ছেন নিজ স্বজনদের পাশে।
এই শিল্পীর দুই সন্তান। ছেলে জে এন্ড্রু সপ্তক ও মেয়ে মিনিম এন্ড্রু সংজ্ঞা। দুজনেই অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করছেন। তাদের জন্যই মৃত্যুর নয়দিন পর শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা হলো।
বাংলা ট্রিবিউন

আরও পড়ুন